চট্টগ্রাম বন্দরে জমে থাকা ৩৭৮ কনটেইনার পণ্য এবার ই-অকশনের মাধ্যমে ঘরে বসেই কেনা যাবে। চট্টগ্রাম কাস্টম হাউস ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) একত্রে ডিজিটাল নিলামের মাধ্যমে এসব পণ্য বিক্রির সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
নিলামে ৪৯টি লটে ১৮০ কনটেইনারে রয়েছে বিভিন্ন ধরনের কেমিক্যাল, মেশিনারিজ, প্লাস্টিক স্ক্র্যাপ, আর্ট পেপার, বিটুমিন, ফেব্রিক্স, হাউজহোল্ড আইটেম এবং গাড়ির যন্ত্রাংশ। এছাড়া ৭৪টি লটে ১৯৮ কনটেইনারে রয়েছে ক্যাপিটাল মেশিনারিজ, প্যাসেঞ্জার এলিভেটর, মেটাল স্ক্র্যাপ এবং ক্রাফট লাইনার পেপারসহ অন্যান্য পণ্য।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার শরীফ মো. আল আমিন জানান, বন্দরে দীর্ঘদিন পড়ে থাকা পণ্যগুলো অপসারণ করে ঝুঁকি কমানো এবং কার্যক্রমে গতি আনার জন্য এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব সৈয়দ রেফায়েত হামিম বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ কার্গো দীর্ঘদিন থাকলে দুর্ঘটনার সম্ভাবনা থাকে। তাই দ্রুত এসব পণ্য নিলামে তোলা হচ্ছে।
পুরো নিলাম প্রক্রিয়া ডিজিটাল পদ্ধতিতে হবে। আগ্রহী ক্রেতারা বাংলাদেশ কাস্টমসের অফিসিয়াল ই-অকশন পোর্টালে নিবন্ধন করে অনলাইনে দরপত্র জমা দিতে পারবেন। তবে দরপত্র জমা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নির্ধারিত জামানতের পে-অর্ডার ও কাগজপত্র জমা দিতে হবে।
এবারের নিলামে কোনো সংরক্ষিত মূল্য (রিজার্ভ ভ্যালু) রাখা হয়নি। সর্বোচ্চ দরদাতাই পণ্য পাবেন। ৭ এপ্রিল ৪৯ লটের ১৮০ কনটেইনার এবং ৮ এপ্রিল ৭৪ লটের ১৯৮ কনটেইনারের দরপত্র খোলা হবে।
এনবিআর জানিয়েছে, চট্টগ্রাম বন্দরের কার্যক্ষমতা বাড়ানো, নিরাপত্তা ঝুঁকি হ্রাস এবং রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় রোধে নিয়মিতভাবে অখালাসকৃত পণ্য নিলামে বিক্রি করা হবে। আগ্রহী বিডাররা সরেজমিনে পণ্য পরিদর্শনের সুযোগ পাবেন এবং অনলাইনে সহজে বিড করতে পারবেন।