ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযান পরিচালনা করে ৭২ পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। শুক্রবার (৭ আগস্ট) মধ্যরাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার চিলারং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। উদ্ধার হওয়া ৭২ পিস ইয়াবা জব্দ করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর থানার চিলারং ইউনিয়নের পল্লী বিদ্যুৎ থেকে রুহিয়াগামী পাকা সড়কের পূর্ব পাশে ব্লক বিছানো রাস্তার ওপর বিশেষ অভিযান চালায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। অভিযানের সময় সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেহ তল্লাশি করে ৭২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন রুহিয়া থানার ঘনিবিষ্টপুর গ্রামের মো. রহমানের ছেলে মো. এরশাদ (৩২), ঠাকুরগাঁও সদর থানার হরিহরপুর গ্রামের পশির উদ্দীনের ছেলে মো. জেমস (৩০) এবং রুহিয়া থানার ঘনিবিষ্টপুর গ্রামের মৃত জাবেদ আলীর ছেলে মো. আবুল কালাম আজাদ (৪২)।
ডিবি পুলিশ জানায়, জব্দ করা ইয়াবা আলামত হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।
জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম রসুল বলেন, মাদকের পাশাপাশি অনলাইন ক্যাসিনোও সমাজ ও তরুণ প্রজন্মের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব অপরাধ দমনে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে এবং ভবিষ্যতেও কঠোর অবস্থান বজায় থাকবে।
তিনি আরও বলেন, মাদক ব্যবসায়ী, অনলাইন ক্যাসিনো পরিচালনাকারী এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান আরও জোরদার করা হবে। সাধারণ মানুষের সহযোগিতায় মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্যতম লক্ষ্য।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, নিয়মিত ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযান পরিচালিত হওয়ায় মাদক কারবারিদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। তারা মনে করেন, এমন ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকলে মাদকের বিস্তার কমবে এবং তরুণ সমাজকে ৭২ পিস ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযান পরিচালনা করে ৭২ পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ। শুক্রবার (৭ আগস্ট) মধ্যরাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার চিলারং ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের মধ্যপাড়া এলাকায় এ অভিযান পরিচালিত হয়। উদ্ধার হওয়া ৭২ পিস ইয়াবা জব্দ করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর থানার চিলারং ইউনিয়নের পল্লী বিদ্যুৎ থেকে রুহিয়াগামী পাকা সড়কের পূর্ব পাশে ব্লক বিছানো রাস্তার ওপর বিশেষ অভিযান চালায় জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)। অভিযানের সময় সন্দেহভাজন তিনজনকে আটক করা হয়। পরে তাদের দেহ তল্লাশি করে ৭২ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন রুহিয়া থানার ঘনিবিষ্টপুর গ্রামের মো. রহমানের ছেলে মো. এরশাদ (৩২), ঠাকুরগাঁও সদর থানার হরিহরপুর গ্রামের পশির উদ্দীনের ছেলে মো. জেমস (৩০) এবং রুহিয়া থানার ঘনিবিষ্টপুর গ্রামের মৃত জাবেদ আলীর ছেলে মো. আবুল কালাম আজাদ (৪২)।
ডিবি পুলিশ জানায়, জব্দ করা ইয়াবা আলামত হিসেবে সংরক্ষণ করা হয়েছে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। তদন্ত শেষে তাদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।
জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম রসুল বলেন, মাদকের পাশাপাশি অনলাইন ক্যাসিনোও সমাজ ও তরুণ প্রজন্মের জন্য বড় হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব অপরাধ দমনে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে এবং ভবিষ্যতেও কঠোর অবস্থান বজায় থাকবে।
তিনি আরও বলেন, মাদক ব্যবসায়ী, অনলাইন ক্যাসিনো পরিচালনাকারী এবং অপরাধচক্রের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তথ্যপ্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান আরও জোরদার করা হবে। সাধারণ মানুষের সহযোগিতায় মাদকমুক্ত সমাজ গড়ে তোলাই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্যতম লক্ষ্য।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, নিয়মিত ঠাকুরগাঁওয়ে ডিবির অভিযান পরিচালিত হওয়ায় মাদক কারবারিদের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। তারা মনে করেন, এমন ধারাবাহিক অভিযান অব্যাহত থাকলে মাদকের বিস্তার কমবে এবং তরুণ সমাজকে ৭২ পিস ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্যের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে রক্ষা করা সম্ভব হবে।