সৌদি আরব ইকামা সমস্যা নিয়ে আবারও উঠে এসেছে প্রবাসীদের দুর্ভোগের চিত্র। সৌদি আরবে কর্মসংস্থানের আশায় গিয়ে প্রতারণার শিকার হয়েছেন হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার ছাতিয়াইন ইউনিয়নের সাকুচাইল গ্রামের মো: সালেহ আহমেদ। তিনি অভিযোগ করেছেন, দালাল নুরজামাল তাকে ভালো চাকরির আশ্বাস দিয়ে সৌদি আরবে পাঠালেও বাস্তবে কোনো কাজ বা বৈধ ইকামার ব্যবস্থা করেননি।
ভুক্তভোগী সালেহ আহমেদ জানান, দেশে থাকাকালীন দালাল তার কাছ থেকে মোটা অঙ্কের টাকা নেয়। তাকে বলা হয়েছিল, সৌদি আরবে পৌঁছালে দ্রুত ভালো বেতনের কাজ ও ইকামা (বৈধ কাজের অনুমতি) দেওয়া হবে। কিন্তু সৌদি আরবে এসে তিনি সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিস্থিতির মুখোমুখি হন।
তিনি বলেন, তিন মাস পার হয়ে গেলেও এখনো তার ইকামা হয়নি। ফলে তিনি বৈধভাবে কোনো কাজ করতে পারছেন না এবং সবসময় আইনগত ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন। এতে তার জীবনযাপন অত্যন্ত কষ্টকর হয়ে উঠেছে।
এদিকে প্রবাসী প্রতারণা দালাল চক্রের কারণে অনেক মানুষ একই ধরনের সমস্যার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সালেহ আহমেদ একাধিকবার দালাল নুরজামালের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও কোনো সাড়া পাননি।
তার পরিবারও এখন চরম দুশ্চিন্তায় রয়েছে। তারা দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এবং দালালের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। স্থানীয় এলাকাবাসীও এই ধরনের দালাল চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিদেশে যাওয়ার আগে অবশ্যই সরকারি অনুমোদিত এজেন্সির মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে যেতে হবে, যাতে সৌদি আরব ইকামা সমস্যা বা প্রতারণার শিকার না হতে হয়।
প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, বিষয়টি তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে এবং ভুক্তভোগীর বৈধ কাগজপত্র ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে।