সাংবাদিক রহমত আরিফ ঠাকুরগাঁও
আবারও মানবিকতা ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন গড়েয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার প্রার্থী মোঃ রহিদুল ইসলাম রহিদ। দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত অবস্থায় থাকা একটি গুরুত্বপূর্ণ সড়ক নিজস্ব অর্থায়নে সংস্কার করে তিনি এলাকাবাসীর প্রশংসা অর্জন করেছেন। তাঁর এই জনসেবামূলক উদ্যোগ বর্তমানে এলাকাজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গড়েয়া ইউনিয়নের পুরাতন গড়েয়া বাজারের উত্তর পার্শ্বে অবস্থিত মুন্সিপাড়া ও সেন্টারগামী গুরুত্বপূর্ণ চৌরাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে চলাচলের অনুপযোগী অবস্থায় ছিল। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে সড়কটি কাদাময় হয়ে পড়ত এবং বড় বড় গর্তের কারণে যানবাহন ও পথচারীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হতো।
প্রতিদিন এই সড়ক ব্যবহার করে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ, ব্যবসায়ী, বৃদ্ধ ও অসুস্থ ব্যক্তিরা যাতায়াত করেন। কিন্তু রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে তাদের নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হতে হতো। স্থানীয় বাসিন্দারা দীর্ঘদিন ধরে সড়কটির সংস্কারের দাবি জানিয়ে আসছিলেন।
এলাকাবাসীর এই দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে মেম্বার প্রার্থী রহিদুল ইসলাম রহিদ ব্যক্তিগত উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তিনি সরকারি বরাদ্দের অপেক্ষা না করে নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তার গর্তগুলোতে টুকরো ইট ফেলে সংস্কারের কাজ সম্পন্ন করেন। ফলে বর্তমানে এলাকাবাসী স্বস্তির সঙ্গে যাতায়াত করতে পারছেন এবং দুর্ঘটনার ঝুঁকিও অনেকাংশে কমেছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত হওয়ার আগেই রহিদুল ইসলাম রহিদ যেভাবে মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করছেন, তা সত্যিই প্রশংসার দাবিদার। তারা মনে করেন, এলাকার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে তাঁর আন্তরিকতা ভবিষ্যতে আরও ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। অনেকেই বলেন, সাধারণ মানুষের সমস্যাকে নিজের সমস্যা হিসেবে গ্রহণ করে কাজ করার মানসিকতা একজন প্রকৃত জনপ্রতিনিধির অন্যতম গুণ।
এ বিষয়ে রহিদুল ইসলাম রহিদ বলেন, “মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা আমার নৈতিক দায়িত্ব। এলাকার উন্নয়ন, জনসেবা এবং সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করাই আমার প্রধান লক্ষ্য। আমি চাই জনগণের সহযোগিতা ও ভালোবাসা নিয়ে একটি উন্নত, সুন্দর ও আধুনিক ২ নম্বর ওয়ার্ড গড়ে তুলতে।”
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, রহিদুল ইসলাম রহিদের জনসেবামূলক উদ্যোগ শুধু একটি রাস্তা সংস্কারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়; এটি সমাজসেবার প্রতি তাঁর দায়বদ্ধতারও প্রতিফলন। মানুষের কল্যাণে কাজ করার এমন মানসিকতা ভবিষ্যতে এলাকার সার্বিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এলাকাবাসী আশা করছেন, আগামী দিনগুলোতেও তিনি একইভাবে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করবেন এবং গড়েয়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডকে একটি আধুনিক ও বাসযোগ্য এলাকায় পরিণত করতে অগ্রণী ভূমিকা পালন করবেন।