মোঃ কামরুল ইসলাম, রাঙামাটি প্রতিনিধি:
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী এবং রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবিপ্রবি) রিজেন্ট বোর্ডের সদস্য সাচিং প্রু এমপির সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন রাবিপ্রবি উপাচার্য প্রফেসর ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, প্রশাসন ও ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১টায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর কার্যালয়ে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সাক্ষাতে রাঙামাটি-২৯৯ আসনের সংসদ সদস্য দীপেন দেওয়ান উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাৎকালে রাবিপ্রবি উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম সম্পর্কে মন্ত্রীকে অবহিত করেন। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাম্প্রতিক অগ্রগতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন তিনি।
উপাচার্য বলেন, উচ্চশিক্ষার মান উন্নয়নের পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক সক্ষমতা আরও বাড়ানো প্রয়োজন। এ জন্য সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম, অবকাঠামো এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনায় আরও উন্নয়ন করতে মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
সাক্ষাতে পার্বত্য মন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে অবগত হন। রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার বিষয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা নিয়ে মতবিনিময় করা হয়।
আলোচনায় রাবিপ্রবির একাডেমিক পরিবেশ আরও উন্নত করা, শিক্ষার্থীদের জন্য প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাঠামোগত উন্নয়ন নিয়ে গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করতে সংশ্লিষ্টদের সমন্বিত উদ্যোগের ওপরও গুরুত্বারোপ করা হয়।
রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলের উচ্চশিক্ষার গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠান। এ অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ বাড়ানোর ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়টির ভূমিকা রয়েছে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও অবকাঠামোগত উন্নয়নকে আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়টি সাক্ষাতে গুরুত্ব পায়।
সৌজন্য সাক্ষাতের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে উচ্চশিক্ষার প্রসার এবং রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার প্রত্যাশা ব্যক্ত করা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান কার্যক্রমের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য অংশীজনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে—এমন প্রত্যাশাও সাক্ষাতে উঠে আসে। সার্বিকভাবে, সৌজন্য সাক্ষাতটি রাবিপ্রবির শিক্ষা ও প্রশাসনিক অগ্রযাত্রাকে আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে মতবিনিময়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।