সাদেকুল ইসলাম, বিরল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের বিরল উপজেলায় আধুনিক ব্যাংকিং সেবাসাদেকুল ইসলাম, বিরল (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:
দিনাজপুরের বিরল উপজেলায় আধুনিক ব্যাংকিং সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পূবালী ব্যাংক পিএলসি বিরল উপশাখার উদ্যোগে পাঁচ দিনব্যাপী ফ্রি ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন-এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার বিরল স্থলবন্দর রোড ও বিরল বাজার এলাকায় আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে ডিজিটাল লেনদেন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ক্যাশলেস ব্যাংকিং সেবার প্রসারে নানা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পূবালী ব্যাংক পিএলসি বিরল উপশাখার ব্যবস্থাপক মো. আশরাফুজ্জামানের সভাপতিত্বে এবং পূবালী ব্যাংক রংপুরের এডিসি ইনচার্জ ও রিজিওনাল অফিসার মো. হুমায়ুন কবিরের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিরল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুম্মান আক্তার।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পূবালী ব্যাংক দিনাজপুর জেলা শাখার এজিএম মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। বক্তারা বলেন, বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক ব্যবস্থাই অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি। তাই নগদ অর্থের ব্যবহার কমিয়ে নিরাপদ ও দ্রুত ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থাকে জনপ্রিয় করে তুলতে হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও জানান, ফ্রি ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন-এর মাধ্যমে গ্রাহকদের মোবাইল ব্যাংকিং, কিউআর কোড পেমেন্ট, অনলাইন ব্যাংকিং এবং বিভিন্ন ডিজিটাল আর্থিক সেবা সম্পর্কে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হবে। পাশাপাশি ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও সাধারণ জনগণকে ক্যাশলেস লেনদেন ব্যবহারে উৎসাহিত করা হবে।
উদ্বোধন শেষে আমন্ত্রিত অতিথি, ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং গ্রাহকদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি বিরল পৌর শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় অনুষ্ঠানস্থলে এসে শেষ হয়। পরে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
আয়োজকদের মতে, এই উদ্যোগ বিরল উপজেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও আধুনিক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ক্যাশলেস অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রসারেও এটি ইতিবাচক অবদান রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পাঁচ দিনব্যাপী এই ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন ব্যাংকিং সেবা সম্পর্কে তথ্য ও পরামর্শ গ্রহণের সুযোগ পাবেন। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ডিজিটাল ব্যাংকিং ব্যবহারের আগ্রহ বাড়বে এবং নিরাপদ আর্থিক লেনদেনের সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে পূবালী ব্যাংক পিএলসি বিরল উপশাখার উদ্যোগে পাঁচ দিনব্যাপী ফ্রি ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন-এর শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার বিরল স্থলবন্দর রোড ও বিরল বাজার এলাকায় আয়োজিত এ কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মাঝে ডিজিটাল লেনদেন সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং ক্যাশলেস ব্যাংকিং সেবার প্রসারে নানা কার্যক্রম পরিচালিত হয়।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পূবালী ব্যাংক পিএলসি বিরল উপশাখার ব্যবস্থাপক মো. আশরাফুজ্জামানের সভাপতিত্বে এবং পূবালী ব্যাংক রংপুরের এডিসি ইনচার্জ ও রিজিওনাল অফিসার মো. হুমায়ুন কবিরের সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বিরল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুম্মান আক্তার।
এসময় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পূবালী ব্যাংক দিনাজপুর জেলা শাখার এজিএম মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। বক্তারা বলেন, বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তিনির্ভর আর্থিক ব্যবস্থাই অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম চালিকাশক্তি। তাই নগদ অর্থের ব্যবহার কমিয়ে নিরাপদ ও দ্রুত ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থাকে জনপ্রিয় করে তুলতে হবে।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও জানান, ফ্রি ক্যাশলেস ক্যাম্পেইন-এর মাধ্যমে গ্রাহকদের মোবাইল ব্যাংকিং, কিউআর কোড পেমেন্ট, অনলাইন ব্যাংকিং এবং বিভিন্ন ডিজিটাল আর্থিক সেবা সম্পর্কে হাতে-কলমে ধারণা দেওয়া হবে। পাশাপাশি ব্যবসায়ী, শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও সাধারণ জনগণকে ক্যাশলেস লেনদেন ব্যবহারে উৎসাহিত করা হবে।
উদ্বোধন শেষে আমন্ত্রিত অতিথি, ব্যাংকের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং গ্রাহকদের অংশগ্রহণে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি বের করা হয়। র্যালিটি বিরল পৌর শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় অনুষ্ঠানস্থলে এসে শেষ হয়। পরে একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে ডিজিটাল অর্থনীতি গড়ে তোলার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
আয়োজকদের মতে, এই উদ্যোগ বিরল উপজেলার অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল, স্বচ্ছ ও আধুনিক করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে সরকারের স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ক্যাশলেস অর্থনৈতিক ব্যবস্থার প্রসারেও এটি ইতিবাচক অবদান রাখবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
পাঁচ দিনব্যাপী এই ক্যাম্পেইনে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন ব্যাংকিং সেবা সম্পর্কে তথ্য ও পরামর্শ গ্রহণের সুযোগ পাবেন। ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে ডিজিটাল ব্যাংকিং ব্যবহারের আগ্রহ বাড়বে এবং নিরাপদ আর্থিক লেনদেনের সংস্কৃতি আরও শক্তিশালী হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।