আব্দুল্লাহ আল মামুন পিয়াস, স্টাফ রিপোর্টার
পাবনা জেলার মে মাসের কর্মমূল্যায়নে পাবনায় শ্রেষ্ঠ সার্কেল অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ঈশ্বরদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার সরকার। একই সঙ্গে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ঈশ্বরদী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. আশাদুর রহমান।
আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ দমন, গ্রেফতারি পরোয়ানা বাস্তবায়ন, মাদক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, মামলার তদন্ত এবং জনসেবামূলক কার্যক্রমে বিশেষ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এই সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। জেলা পুলিশের বিভিন্ন সূচকে সন্তোষজনক পারফরম্যান্স দেখানোর কারণে তারা এই অর্জন লাভ করেন।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে পাবনা পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জেলা পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে তাদের হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন পাবনার পুলিশ সুপার ছুফি উল্লাহ।
জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ঈশ্বরদী সার্কেলের আওতাধীন ঈশ্বরদী ও আটঘরিয়া থানার সার্বিক কার্যক্রম তদারকি, গ্রেফতারি পরোয়ানা তামিল, নিয়মিত ও অপমৃত্যু মামলার নিষ্পত্তি, মাদকবিরোধী অভিযান পরিচালনা এবং অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার সরকার। পাশাপাশি এলাকার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তার নেতৃত্ব প্রশংসিত হয়েছে।
অন্যদিকে, ঈশ্বরদী থানার ওসি মো. আশাদুর রহমান অপরাধ নিয়ন্ত্রণ, চুরি-ডাকাতি প্রতিরোধ, মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার, ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি গ্রেফতার এবং জনবান্ধব পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার মাধ্যমে জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করেন।
জেলা পুলিশের কর্মকর্তারা জানান, পেশাগত দক্ষতা, দায়িত্বশীলতা এবং জনসেবার মানোন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে কাজ করায় এই দুই পুলিশ কর্মকর্তাকে সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। তাদের এই অর্জন ঈশ্বরদী সার্কেল ও ঈশ্বরদী থানার অন্যান্য সদস্যদেরও আরও ভালো কাজ করতে উৎসাহিত করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সম্মাননা প্রাপ্তির পর দুই কর্মকর্তা জেলা পুলিশ প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তারা বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে ভবিষ্যতেও আন্তরিকভাবে কাজ করে যাবেন। পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নে জনগণের সহযোগিতা কামনা করেন তারা।
পুলিশ প্রশাসনের এই স্বীকৃতি শুধু ব্যক্তিগত অর্জন নয়, বরং ঈশ্বরদী অঞ্চলের সার্বিক নিরাপত্তা ও সেবামূলক কার্যক্রমের সফলতারও প্রতিফলন বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল।