বাংলাদেশ , বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
সর্বাধিক পঠিত

চট্টগ্রাম চেম্বার নির্বাচন শেষে চলছে ভোট গণনা, ফলের অপেক্ষা

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

দীর্ঘ এক যুগ পর উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ-এর দ্বিবার্ষিক নির্বাচন। শনিবার (২৩ মে) নগরের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষে এখন চলছে ভোট গণনা। রাতের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পুরো দিনজুড়ে ব্যবসায়ীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে মুখর ছিল নগরের ভোটকেন্দ্র। সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হলেও সকাল ৮টা থেকেই ভোটারদের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। নগরের চট্টগ্রাম শহরের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের নিচতলায় স্থাপিত কেন্দ্রটিতে ১৭টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। দিনভর ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো কেন্দ্রজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবের আমেজ।

চেম্বার সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে সাধারণ ও সহযোগী শ্রেণির সদস্যরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। সাধারণ শ্রেণির ভোটাররা ১২টি এবং সহযোগী শ্রেণির ভোটাররা ৬টি করে ভোট দেন। নির্বাচনের মাধ্যমে সাধারণ শ্রেণি থেকে ১২ জন, সহযোগী শ্রেণি থেকে ৬ জন এবং ট্রেড গ্রুপ ও টাউন অ্যাসোসিয়েশন ক্যাটাগরি থেকে ৬ জন পরিচালক নির্বাচিত হবেন।

চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী, সাধারণ শ্রেণিতে ৩৭ জন এবং সহযোগী শ্রেণিতে ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এছাড়া ট্রেড গ্রুপ ও টাউন অ্যাসোসিয়েশন থেকে ৬ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে রয়েছেন। এবারের নির্বাচনে দুটি প্রধান প্যানেল অংশ নেয়—এস এম নুরুল হকের নেতৃত্বাধীন ‘সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ’ এবং আমিরুল হকের নেতৃত্বাধীন ‘ইউনাইটেড বিজনেস ফোরাম’।

তবে ভোটের আগের দিন সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিলেও তাদের প্রার্থীদের নাম ব্যালটে বহাল রাখা হয়। এতে নির্বাচন ঘিরে তৈরি হয় বাড়তি আলোচনা ও আগ্রহ।

নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার সুব্রত বিশ্বাস দাস জানান, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। ভোটার উপস্থিতিও ছিল সন্তোষজনক।

বর্তমানে চলছে ভোট গণনার কার্যক্রম। ফলাফল প্রকাশের পর নতুন নেতৃত্ব নির্ধারিত হবে, যা চট্টগ্রামের ব্যবসায়িক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কিত তথ্য
আপডেটের সময় : ০২:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
৩১ সময় দৃশ্য

চট্টগ্রাম চেম্বার নির্বাচন শেষে চলছে ভোট গণনা, ফলের অপেক্ষা

আপডেটের সময় : ০২:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

দীর্ঘ এক যুগ পর উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হলো চট্টগ্রাম চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ-এর দ্বিবার্ষিক নির্বাচন। শনিবার (২৩ মে) নগরের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ভোটগ্রহণ শেষে এখন চলছে ভোট গণনা। রাতের মধ্যেই চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে পুরো দিনজুড়ে ব্যবসায়ীদের ব্যাপক উপস্থিতিতে মুখর ছিল নগরের ভোটকেন্দ্র। সকাল ৯টায় ভোটগ্রহণ শুরু হলেও সকাল ৮টা থেকেই ভোটারদের দীর্ঘ সারি দেখা যায়। নগরের চট্টগ্রাম শহরের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের নিচতলায় স্থাপিত কেন্দ্রটিতে ১৭টি বুথে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। দিনভর ভোটারদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে পুরো কেন্দ্রজুড়ে সৃষ্টি হয় উৎসবের আমেজ।

চেম্বার সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে সাধারণ ও সহযোগী শ্রেণির সদস্যরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন। সাধারণ শ্রেণির ভোটাররা ১২টি এবং সহযোগী শ্রেণির ভোটাররা ৬টি করে ভোট দেন। নির্বাচনের মাধ্যমে সাধারণ শ্রেণি থেকে ১২ জন, সহযোগী শ্রেণি থেকে ৬ জন এবং ট্রেড গ্রুপ ও টাউন অ্যাসোসিয়েশন ক্যাটাগরি থেকে ৬ জন পরিচালক নির্বাচিত হবেন।

চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী, সাধারণ শ্রেণিতে ৩৭ জন এবং সহযোগী শ্রেণিতে ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এছাড়া ট্রেড গ্রুপ ও টাউন অ্যাসোসিয়েশন থেকে ৬ জন প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথে রয়েছেন। এবারের নির্বাচনে দুটি প্রধান প্যানেল অংশ নেয়—এস এম নুরুল হকের নেতৃত্বাধীন ‘সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ’ এবং আমিরুল হকের নেতৃত্বাধীন ‘ইউনাইটেড বিজনেস ফোরাম’।

তবে ভোটের আগের দিন সম্মিলিত ব্যবসায়ী পরিষদ নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিলেও তাদের প্রার্থীদের নাম ব্যালটে বহাল রাখা হয়। এতে নির্বাচন ঘিরে তৈরি হয় বাড়তি আলোচনা ও আগ্রহ।

নির্বাচনের দায়িত্বে থাকা প্রিজাইডিং কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার সুব্রত বিশ্বাস দাস জানান, শান্তিপূর্ণ ও সুশৃঙ্খল পরিবেশে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। ভোটার উপস্থিতিও ছিল সন্তোষজনক।

বর্তমানে চলছে ভোট গণনার কার্যক্রম। ফলাফল প্রকাশের পর নতুন নেতৃত্ব নির্ধারিত হবে, যা চট্টগ্রামের ব্যবসায়িক অঙ্গনে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।