বাংলাদেশ , বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
সর্বাধিক পঠিত

লাউতা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান আলোচনায় সাদিক হোসেন এপলু

নিজস্ব প্রতিনিধি:

সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ১১ নম্বর লাউতা ইউনিয়নে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা বাড়ছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে সমাজসেবক, কবি, সাংবাদিক এবং শিক্ষানবিশ আইনজীবী সাদিক হোসেন এপলু অন্যতম আলোচিত নাম হিসেবে উঠে এসেছেন। দীর্ঘদিন ধরে জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে স্থানীয়দের একটি অংশের কাছে তিনি ইতোমধ্যে আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সাদিক হোসেন এপলু দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন সামাজিক, স্বেচ্ছাসেবী ও মানবিক সংগঠনের সঙ্গে কাজ করে আসছেন। শিক্ষা, যুব উন্নয়ন, অসহায় মানুষের সহায়তা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন উদ্যোগে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া তৈরি করেছে।

বিশেষ করে তরুণ সমাজের সঙ্গে তার নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে বলে এলাকাবাসী জানান। বিভিন্ন সময় শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দেওয়া, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে সহযোগিতা করা এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক উদ্যোগে তরুণদের সম্পৃক্ত করতে তিনি ভূমিকা রেখেছেন। ফলে লাউতা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদ নিয়ে আলোচনায় তার নাম গুরুত্বের সঙ্গে উচ্চারিত হচ্ছে।

এলাকাবাসীর দাবি, দল-মতের ভেদাভেদ না করে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতাই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অসহায় মানুষের চিকিৎসা সহায়তা, সামাজিক সংকট কিংবা মানবিক উদ্যোগ—বিভিন্ন সময় তাকে সক্রিয়ভাবে দেখা গেছে বলে স্থানীয়রা উল্লেখ করেন।

স্থানীয়দের আরও বক্তব্য, ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনসেবামূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্য নিয়ে সাদিক হোসেন এপলু কাজ করে যাচ্ছেন। তার সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ তাকে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রেখেছে।

তবে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থিতা, মনোনয়ন বা নির্বাচনী অংশগ্রহণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। স্থানীয় পর্যায়ে যে আলোচনা চলছে, এই প্রতিবেদনটি মূলত সেই জনমত ও স্থানীয় সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কিত তথ্য
আপডেটের সময় : ১২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ আগস্ট ২০২৬
৩৩ সময় দৃশ্য

লাউতা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান আলোচনায় সাদিক হোসেন এপলু

আপডেটের সময় : ১২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ আগস্ট ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধি:

সিলেটের বিয়ানীবাজার উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ১১ নম্বর লাউতা ইউনিয়নে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে আলোচনা বাড়ছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে সমাজসেবক, কবি, সাংবাদিক এবং শিক্ষানবিশ আইনজীবী সাদিক হোসেন এপলু অন্যতম আলোচিত নাম হিসেবে উঠে এসেছেন। দীর্ঘদিন ধরে জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে স্থানীয়দের একটি অংশের কাছে তিনি ইতোমধ্যে আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, সাদিক হোসেন এপলু দীর্ঘ সময় ধরে বিভিন্ন সামাজিক, স্বেচ্ছাসেবী ও মানবিক সংগঠনের সঙ্গে কাজ করে আসছেন। শিক্ষা, যুব উন্নয়ন, অসহায় মানুষের সহায়তা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনকল্যাণমূলক বিভিন্ন উদ্যোগে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া তৈরি করেছে।

বিশেষ করে তরুণ সমাজের সঙ্গে তার নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে বলে এলাকাবাসী জানান। বিভিন্ন সময় শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দেওয়া, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমে সহযোগিতা করা এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক উদ্যোগে তরুণদের সম্পৃক্ত করতে তিনি ভূমিকা রেখেছেন। ফলে লাউতা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদ নিয়ে আলোচনায় তার নাম গুরুত্বের সঙ্গে উচ্চারিত হচ্ছে।

এলাকাবাসীর দাবি, দল-মতের ভেদাভেদ না করে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতাই তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, অসহায় মানুষের চিকিৎসা সহায়তা, সামাজিক সংকট কিংবা মানবিক উদ্যোগ—বিভিন্ন সময় তাকে সক্রিয়ভাবে দেখা গেছে বলে স্থানীয়রা উল্লেখ করেন।

স্থানীয়দের আরও বক্তব্য, ইউনিয়নের সার্বিক উন্নয়ন, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং জনসেবামূলক কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করার লক্ষ্য নিয়ে সাদিক হোসেন এপলু কাজ করে যাচ্ছেন। তার সামাজিক গ্রহণযোগ্যতা এবং মানুষের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ তাকে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রেখেছে।

তবে আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে প্রার্থিতা, মনোনয়ন বা নির্বাচনী অংশগ্রহণের বিষয়টি সংশ্লিষ্ট নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পরই চূড়ান্তভাবে নির্ধারিত হবে। এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত নির্বাচন কমিশনের কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। স্থানীয় পর্যায়ে যে আলোচনা চলছে, এই প্রতিবেদনটি মূলত সেই জনমত ও স্থানীয় সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে।