সাঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আলোচনায় আরাফাত

মোঃ রাসেল মিয়া সাঘাটা-গাইবান্ধাঃ
গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আলোচনায় রয়েছেন ছাত্রনেতা মো. আরাফাত রহমান সরকার। দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা, তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ এবং দুঃসময়ে সংগঠনের পাশে থাকার কারণে তাকে নিয়ে নেতাকর্মীদের মধ্যে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের দাবি, আরাফাত রহমান সরকার ছাত্র রাজনীতিতে দীর্ঘ সময় ধরে সক্রিয়। বিশেষ করে ২০১৫ সাল থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মসূচি ও আন্দোলন-সংগ্রামে তিনি মাঠে ছিলেন। স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনসহ বিভিন্ন কর্মসূচিতে হরতাল, অবরোধ ও মশাল মিছিলে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল বলে তার সমর্থকেরা জানান। ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানেও তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন বলে দাবি করা হচ্ছে।
রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় থাকার কারণে মামলা, হামলা ও নানা ধরনের চাপের মুখোমুখি হলেও তিনি রাজপথের কর্মসূচি থেকে সরে যাননি বলে তার অনুসারীদের ভাষ্য। আন্দোলন-সংগ্রামে যুক্ত থাকার কারণে তার শিক্ষা জীবনও ব্যাহত হয়েছে বলে জানা গেছে।
সাঘাটা উপজেলা ছাত্রদলকে তৃণমূল পর্যায়ে আরও সংগঠিত করার লক্ষ্য নিয়ে আরাফাত রহমান সরকার দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন বলে নেতাকর্মীরা জানিয়েছেন। গ্রাম ও ইউনিয়ন পর্যায়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে সাংগঠনিক কার্যক্রম শক্তিশালী করার চেষ্টা করছেন তিনি।
তৃণমূলের কয়েকজন নেতাকর্মীর ভাষ্য, রাজনৈতিকভাবে কঠিন সময়ে আরাফাত রহমান সরকার বয়সে তুলনামূলক ছোট হলেও অনেকের পাশে থেকেছেন। নতুন কর্মীদের সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত করা এবং তাদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে উৎসাহ দেওয়ার ক্ষেত্রেও তিনি ভূমিকা রেখেছেন বলে তারা দাবি করেন।
নেতাকর্মীদের একাংশ মনে করেন, সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেলে আরাফাত রহমান সরকার তৃণমূল পর্যায়ে ছাত্রদলের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে পারবেন। তাদের মতে, দীর্ঘদিনের আন্দোলন-সংগ্রামের অভিজ্ঞতা এবং মাঠপর্যায়ের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ তার সাংগঠনিক দায়িত্ব পালনে সহায়ক হতে পারে।
তবে সাঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে চূড়ান্তভাবে কে দায়িত্ব পাচ্ছেন, তা দলীয় সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সংগঠনের আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।
স্থানীয় নেতাকর্মীদের একটি অংশের প্রত্যাশা, দুঃসময়ে মাঠে থাকা এবং তৃণমূলের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা নেতাদের মূল্যায়নের মাধ্যমে সাঘাটা উপজেলা ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব গঠন করা হবে। সেই আলোচনায় আরাফাত রহমান সরকারের নামও গুরুত্বের সঙ্গে উঠে আসছে।







