বাংলাদেশ , বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
সর্বাধিক পঠিত

আখাউড়ায় জামাতের মাদকবিরোধী র‌্যালি, কঠোর ব্যবস্থার আহ্বান আজ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উপজেলা শাখার উদ্যোগে আখাউড়ায় জামাতের মাদকবিরোধী সমাবেশ ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী অংশ নেন। বক্তারা মাদকের বিস্তার রোধে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ জোরদার, চোরাচালানকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, র‌্যালিটি আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশন জামে মসজিদের সামনে থেকে শুরু হয়ে শহরের আদর আলী কমপ্লেক্স মার্কেটের সামনে গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালি শেষে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ইকবাল হোসনের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মাওলানা বোরহান উদ্দিন খানের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন পৌর জামায়াতের আমির মুরশিদ মিয়া, আলাউদ্দিন মাস্টার, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ, শেখ আনোয়ার ও রফিকুল ইসলাম রতনসহ অন্যান্য নেতারা।

বক্তারা বলেন, ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং সাম্প্রতিক বিভিন্ন গণআন্দোলনে দেশের তরুণদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। কিন্তু বর্তমানে মাদকের বিস্তারের কারণে যুবসমাজ বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়ছে বলে তারা দাবি করেন। তাদের মতে, পরিকল্পিতভাবে তরুণদের বিপথে নেওয়ার অপচেষ্টা রুখতে হলে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, শুধুমাত্র মাদকসেবী বা খুচরা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। মাদকবিরোধী সমাবেশ থেকে তারা দাবি জানান, যেসব সীমান্ত ও রুট দিয়ে দেশে মাদক প্রবেশ করে সেগুলোতে নজরদারি বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত মূল হোতাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

বক্তারা সামাজিক, পারিবারিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দেন। তাদের মতে, প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ একযোগে কাজ করলে মাদকের ভয়াবহতা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।

সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তারা ভবিষ্যতেও এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কিত তথ্য
আপডেটের সময় : ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬
৩০ সময় দৃশ্য

আখাউড়ায় জামাতের মাদকবিরোধী র‌্যালি, কঠোর ব্যবস্থার আহ্বান আজ

আপডেটের সময় : ০৫:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী উপজেলা শাখার উদ্যোগে আখাউড়ায় জামাতের মাদকবিরোধী সমাবেশ ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৭ জুন) বিকেলে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী অংশ নেন। বক্তারা মাদকের বিস্তার রোধে সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ জোরদার, চোরাচালানকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, র‌্যালিটি আখাউড়া রেলওয়ে জংশন স্টেশন জামে মসজিদের সামনে থেকে শুরু হয়ে শহরের আদর আলী কমপ্লেক্স মার্কেটের সামনে গিয়ে শেষ হয়। র‌্যালি শেষে সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির ইকবাল হোসনের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মাওলানা বোরহান উদ্দিন খানের সঞ্চালনায় সমাবেশে বক্তব্য দেন পৌর জামায়াতের আমির মুরশিদ মিয়া, আলাউদ্দিন মাস্টার, মাওলানা সিরাজুল ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ, শেখ আনোয়ার ও রফিকুল ইসলাম রতনসহ অন্যান্য নেতারা।

বক্তারা বলেন, ভাষা আন্দোলন, মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং সাম্প্রতিক বিভিন্ন গণআন্দোলনে দেশের তরুণদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল। কিন্তু বর্তমানে মাদকের বিস্তারের কারণে যুবসমাজ বড় ধরনের হুমকির মুখে পড়ছে বলে তারা দাবি করেন। তাদের মতে, পরিকল্পিতভাবে তরুণদের বিপথে নেওয়ার অপচেষ্টা রুখতে হলে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।

সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, শুধুমাত্র মাদকসেবী বা খুচরা বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে অভিযান চালিয়ে সমস্যার স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। মাদকবিরোধী সমাবেশ থেকে তারা দাবি জানান, যেসব সীমান্ত ও রুট দিয়ে দেশে মাদক প্রবেশ করে সেগুলোতে নজরদারি বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে মাদক চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত মূল হোতাদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে।

বক্তারা সামাজিক, পারিবারিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ জোরদারের ওপরও গুরুত্ব দেন। তাদের মতে, প্রশাসনের পাশাপাশি সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষ একযোগে কাজ করলে মাদকের ভয়াবহতা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব।

সমাবেশ শেষে অংশগ্রহণকারীরা মাদকের বিরুদ্ধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি এবং যুবসমাজকে মাদকমুক্ত রাখতে সম্মিলিতভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তারা ভবিষ্যতেও এ ধরনের সচেতনতামূলক কর্মসূচি অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।