বাংলাদেশ , বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
সর্বাধিক পঠিত

ঠাকুরগাঁওয়ে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারীদের স্বাবলম্বী হওয়ার নতুন গল্প

ঠাকুরগাঁওয়ের প্রান্তিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারীরা এখন আর শুধু অভাবের সঙ্গে লড়াই করছেন না। প্রশিক্ষণ, সরকারি সহায়তা ও আয়বর্ধক কাজের সুযোগ পেয়ে অনেক নারী নিজের পায়ে দাঁড়াচ্ছেন। গড়ে তুলছেন সম্পদ। বাড়ছে পরিবারের আয়। বদলে যাচ্ছে জীবনযাত্রা।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের কহরপাড়া গ্রামের আরতি মার্ডি তেমনই একজন। একসময় দিনমজুর স্বামীর সামান্য আয়ে সংসার চালানো কঠিন ছিল। একদিন কাজ না করলে চুলোয় হাঁড়ি উঠত না। খাসজমিতে ছাপড়া ঘরে বসবাস করতেন তারা। সন্তানদের পড়াশোনার খরচও ছিল বড় চাপ।

তবে সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে আরতির জীবন। বর্তমানে তার বাড়িতে রয়েছে তিনটি গাভী, পাঁচটি ছাগল, পাঁচটি হাঁস ও ১৫টি মুরগি। পাশাপাশি তিনি সবজি ও ধান চাষ করছেন। গড়ে তুলেছেন পারিবারিক পুষ্টিবাগানও। সব মিলিয়ে তার সম্পদের বর্তমান মূল্য প্রায় ১২ লাখ টাকা।

২০১৯ সালের অক্টোবরে ঠাকুরগাঁওয়ে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইএসডিওর ‘পাথওয়েজ টু প্রসপারিটি ফর এক্সট্রিমলি পুওর পিপল’ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়। এর মাধ্যমে আরতি ‘প্রসপারিটি বনফুল ইকো গ্রাম কমিটি’র সদস্য হন। নিয়মিত সভায় অংশ নিয়ে তিনি কৃষি, পশুপালন, সঞ্চয় ও আয়বর্ধক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে প্রশিক্ষণ নেন।

করোনাকালে প্রকল্প থেকে আরতি ও তার কমিউনিটির অন্য সদস্যরা ৯ হাজার টাকা করে সহায়তা পান। সংসারের প্রয়োজন মেটানোর পর অবশিষ্ট টাকা দিয়ে একটি ছাগল কেনেন তিনি। সেই ছোট বিনিয়োগ থেকেই শুরু হয় তার ঘুরে দাঁড়ানোর যাত্রা।

পরবর্তী সময়ে সরকারি বিভিন্ন সেবার সঙ্গেও যুক্ত হন আরতি। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে তিনি সরকারি ঘর পান। প্রাণিসম্পদ অফিস থেকেও গাভী পালনের জন্য অনুদান পান। তার ছোট ছেলে ইএসডিও থেকে তিন মাসের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ নিয়ে বর্তমানে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন।

২০২৪ সালের আগস্টে উচ্চমূল্যের নিরাপদ সবজি চাষের জন্য আরতি ১২ হাজার টাকা সহায়তা পান। ৫৫ শতাংশ জমিতে মিষ্টি কুমড়া চাষ করে খরচ বাদ দিয়ে প্রায় ৬০ হাজার টাকা লাভ করেন। পরে ৩০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে আরও ৫০ শতাংশ জমি বন্ধক নেন। সেখানে সবজির পাশাপাশি ধান চাষ শুরু করেন।

বর্তমানে কৃষি ও পশুপালন থেকে আরতির মাসিক আয় প্রায় ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা। স্বামী ও সন্তানদের আয়সহ তাদের পরিবারের মাসিক আয় প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। সাত দফায় মোট ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে তা কাজে লাগিয়ে তিনি প্রায় ১২ লাখ টাকার সম্পদ গড়ে তুলেছেন। পেয়েছেন ইএসডিওর ‘শ্রেষ্ঠ নারী উদ্যোক্তা’ পুরস্কারও।

আরতি বলেন, একসময় সংসারে অনেক কষ্ট ছিল। সন্তানদের পড়াশোনা ও খাবারের খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়ত। প্রশিক্ষণ, পরামর্শ ও সহায়তা পাওয়ার পর তিনি গরু-ছাগল পালন এবং কৃষিকাজ শুরু করেন। এখন নিজের সম্পদ রয়েছে এবং সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন দেখতে পারছেন।

একই ইউনিয়নের নালাডাঙ্গী আদিবাসী এলাকার শান্তি মার্ডির জীবনেও এসেছে পরিবর্তন। দিনমজুর স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে একসময় অভাবের মধ্যে দিন কাটত তার। পরে ইএসডিওর প্রকল্পের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ পান তিনি।

বর্তমানে শান্তির বাড়িতে রয়েছে সাতটি গবাদিপশু। পরে প্রকল্পের কর্মীদের পরামর্শে তিনি ভার্মি কম্পোস্ট তৈরি শুরু করেন। এ কাজে ইএসডিও থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান পান। সেই অর্থ দিয়ে ঘরসহ ছয়টি সেট তৈরি করে কেঁচো সার উৎপাদন শুরু করেন।

প্রতি কেজি ১৫ টাকা দরে কৃষকদের কাছে ভার্মি কম্পোস্ট বিক্রি করছেন শান্তি। এতে মাসে তার আয় হচ্ছে প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। এই আয় দিয়ে তিনি সংসারের খরচ মেটানোর পাশাপাশি নিজের ভবিষ্যতের জন্যও পরিকল্পনা করছেন।

শান্তি বলেন, আগে স্বামীর সামান্য আয়ে সংসার চালাতে অনেক কষ্ট হতো। এখন নিজের উৎপাদিত কেঁচো সার বিক্রি করে আয় করছেন। এতে তার আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে কাজ করার স্বপ্ন দেখছেন তিনি।

আরতি ও শান্তির মতো ঠাকুরগাঁওয়ের আরও অনেক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারী এখন আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হচ্ছেন। মিনতি সরেন, চিন্তামনি মুর্মু, জসপিনা মুর্মু, সখিনা সরেন ও সুমি হাসদার মতো নারীরাও প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতার মাধ্যমে নিজেদের জীবন বদলের চেষ্টা করছেন।

ইএসডিও ঠাকুরগাঁওয়ের পাঁচ উপজেলার মধ্যে তিনটি উপজেলা ও ১৬টি ইউনিয়নে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের সঙ্গে কাজ করছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, জীবনমান উন্নয়ন, নিজস্ব ভাষার চর্চা এবং আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে দেওয়া হচ্ছে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা।

সংস্থাটির কর্মকর্তারা জানান, শুধু আর্থিক সহায়তা দিয়ে স্থায়ী পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। এজন্য দক্ষতা বৃদ্ধি, কৃষি ও পশুপালনে প্রশিক্ষণ, শিক্ষা-স্বাস্থ্য ও পুষ্টির উন্নয়ন এবং সরকারি সেবার সঙ্গে প্রান্তিক পরিবারগুলোকে যুক্ত করা জরুরি।

আরতি মার্ডি ও শান্তি মার্ডির মতো নারীদের সাফল্য এখন অন্য নারীদেরও উৎসাহিত করছে। তাদের উদ্যোগ দেখিয়ে দিচ্ছে, সঠিক প্রশিক্ষণ, সুযোগ ও সহায়তা পেলে প্রান্তিক পরিবারের নারীরাও নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনের পাশাপাশি পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি করতে পারেন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কিত তথ্য
আপডেটের সময় : ০৫:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬
২৮ সময় দৃশ্য

ঠাকুরগাঁওয়ে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারীদের স্বাবলম্বী হওয়ার নতুন গল্প

আপডেটের সময় : ০৫:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬

ঠাকুরগাঁওয়ের প্রান্তিক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারীরা এখন আর শুধু অভাবের সঙ্গে লড়াই করছেন না। প্রশিক্ষণ, সরকারি সহায়তা ও আয়বর্ধক কাজের সুযোগ পেয়ে অনেক নারী নিজের পায়ে দাঁড়াচ্ছেন। গড়ে তুলছেন সম্পদ। বাড়ছে পরিবারের আয়। বদলে যাচ্ছে জীবনযাত্রা।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নারগুন ইউনিয়নের কহরপাড়া গ্রামের আরতি মার্ডি তেমনই একজন। একসময় দিনমজুর স্বামীর সামান্য আয়ে সংসার চালানো কঠিন ছিল। একদিন কাজ না করলে চুলোয় হাঁড়ি উঠত না। খাসজমিতে ছাপড়া ঘরে বসবাস করতেন তারা। সন্তানদের পড়াশোনার খরচও ছিল বড় চাপ।

তবে সময়ের সঙ্গে বদলে গেছে আরতির জীবন। বর্তমানে তার বাড়িতে রয়েছে তিনটি গাভী, পাঁচটি ছাগল, পাঁচটি হাঁস ও ১৫টি মুরগি। পাশাপাশি তিনি সবজি ও ধান চাষ করছেন। গড়ে তুলেছেন পারিবারিক পুষ্টিবাগানও। সব মিলিয়ে তার সম্পদের বর্তমান মূল্য প্রায় ১২ লাখ টাকা।

২০১৯ সালের অক্টোবরে ঠাকুরগাঁওয়ে বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইএসডিওর ‘পাথওয়েজ টু প্রসপারিটি ফর এক্সট্রিমলি পুওর পিপল’ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয়। এর মাধ্যমে আরতি ‘প্রসপারিটি বনফুল ইকো গ্রাম কমিটি’র সদস্য হন। নিয়মিত সভায় অংশ নিয়ে তিনি কৃষি, পশুপালন, সঞ্চয় ও আয়বর্ধক কর্মকাণ্ড সম্পর্কে প্রশিক্ষণ নেন।

করোনাকালে প্রকল্প থেকে আরতি ও তার কমিউনিটির অন্য সদস্যরা ৯ হাজার টাকা করে সহায়তা পান। সংসারের প্রয়োজন মেটানোর পর অবশিষ্ট টাকা দিয়ে একটি ছাগল কেনেন তিনি। সেই ছোট বিনিয়োগ থেকেই শুরু হয় তার ঘুরে দাঁড়ানোর যাত্রা।

পরবর্তী সময়ে সরকারি বিভিন্ন সেবার সঙ্গেও যুক্ত হন আরতি। ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে তিনি সরকারি ঘর পান। প্রাণিসম্পদ অফিস থেকেও গাভী পালনের জন্য অনুদান পান। তার ছোট ছেলে ইএসডিও থেকে তিন মাসের কম্পিউটার প্রশিক্ষণ নিয়ে বর্তমানে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করছেন।

২০২৪ সালের আগস্টে উচ্চমূল্যের নিরাপদ সবজি চাষের জন্য আরতি ১২ হাজার টাকা সহায়তা পান। ৫৫ শতাংশ জমিতে মিষ্টি কুমড়া চাষ করে খরচ বাদ দিয়ে প্রায় ৬০ হাজার টাকা লাভ করেন। পরে ৩০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে আরও ৫০ শতাংশ জমি বন্ধক নেন। সেখানে সবজির পাশাপাশি ধান চাষ শুরু করেন।

বর্তমানে কৃষি ও পশুপালন থেকে আরতির মাসিক আয় প্রায় ৭ থেকে ৮ হাজার টাকা। স্বামী ও সন্তানদের আয়সহ তাদের পরিবারের মাসিক আয় প্রায় ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা। সাত দফায় মোট ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে তা কাজে লাগিয়ে তিনি প্রায় ১২ লাখ টাকার সম্পদ গড়ে তুলেছেন। পেয়েছেন ইএসডিওর ‘শ্রেষ্ঠ নারী উদ্যোক্তা’ পুরস্কারও।

আরতি বলেন, একসময় সংসারে অনেক কষ্ট ছিল। সন্তানদের পড়াশোনা ও খাবারের খরচ চালানো কঠিন হয়ে পড়ত। প্রশিক্ষণ, পরামর্শ ও সহায়তা পাওয়ার পর তিনি গরু-ছাগল পালন এবং কৃষিকাজ শুরু করেন। এখন নিজের সম্পদ রয়েছে এবং সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্বপ্ন দেখতে পারছেন।

একই ইউনিয়নের নালাডাঙ্গী আদিবাসী এলাকার শান্তি মার্ডির জীবনেও এসেছে পরিবর্তন। দিনমজুর স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে একসময় অভাবের মধ্যে দিন কাটত তার। পরে ইএসডিওর প্রকল্পের মাধ্যমে বিভিন্ন প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ পান তিনি।

বর্তমানে শান্তির বাড়িতে রয়েছে সাতটি গবাদিপশু। পরে প্রকল্পের কর্মীদের পরামর্শে তিনি ভার্মি কম্পোস্ট তৈরি শুরু করেন। এ কাজে ইএসডিও থেকে ৫০ হাজার টাকা অনুদান পান। সেই অর্থ দিয়ে ঘরসহ ছয়টি সেট তৈরি করে কেঁচো সার উৎপাদন শুরু করেন।

প্রতি কেজি ১৫ টাকা দরে কৃষকদের কাছে ভার্মি কম্পোস্ট বিক্রি করছেন শান্তি। এতে মাসে তার আয় হচ্ছে প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা। এই আয় দিয়ে তিনি সংসারের খরচ মেটানোর পাশাপাশি নিজের ভবিষ্যতের জন্যও পরিকল্পনা করছেন।

শান্তি বলেন, আগে স্বামীর সামান্য আয়ে সংসার চালাতে অনেক কষ্ট হতো। এখন নিজের উৎপাদিত কেঁচো সার বিক্রি করে আয় করছেন। এতে তার আত্মবিশ্বাস বেড়েছে। ভবিষ্যতে আরও বড় পরিসরে কাজ করার স্বপ্ন দেখছেন তিনি।

আরতি ও শান্তির মতো ঠাকুরগাঁওয়ের আরও অনেক ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর নারী এখন আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে যুক্ত হচ্ছেন। মিনতি সরেন, চিন্তামনি মুর্মু, জসপিনা মুর্মু, সখিনা সরেন ও সুমি হাসদার মতো নারীরাও প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতার মাধ্যমে নিজেদের জীবন বদলের চেষ্টা করছেন।

ইএসডিও ঠাকুরগাঁওয়ের পাঁচ উপজেলার মধ্যে তিনটি উপজেলা ও ১৬টি ইউনিয়নে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মানুষের সঙ্গে কাজ করছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পুষ্টি, জীবনমান উন্নয়ন, নিজস্ব ভাষার চর্চা এবং আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে দেওয়া হচ্ছে প্রশিক্ষণ ও সহায়তা।

সংস্থাটির কর্মকর্তারা জানান, শুধু আর্থিক সহায়তা দিয়ে স্থায়ী পরিবর্তন আনা সম্ভব নয়। এজন্য দক্ষতা বৃদ্ধি, কৃষি ও পশুপালনে প্রশিক্ষণ, শিক্ষা-স্বাস্থ্য ও পুষ্টির উন্নয়ন এবং সরকারি সেবার সঙ্গে প্রান্তিক পরিবারগুলোকে যুক্ত করা জরুরি।

আরতি মার্ডি ও শান্তি মার্ডির মতো নারীদের সাফল্য এখন অন্য নারীদেরও উৎসাহিত করছে। তাদের উদ্যোগ দেখিয়ে দিচ্ছে, সঠিক প্রশিক্ষণ, সুযোগ ও সহায়তা পেলে প্রান্তিক পরিবারের নারীরাও নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনের পাশাপাশি পরিবারের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নতি করতে পারেন।