বাংলাদেশ , বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬, ২৮ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
সর্বাধিক পঠিত

বাঁশখালীতে প্রধানমন্ত্রীর আগমন, জনতার ঢল ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

বাঁশখালীতে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে দক্ষিণ চট্টগ্রামের উপকূলীয় জনপদে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাহারছড়া সমুদ্রসৈকত এলাকায় পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানাতে বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো মানুষ জড়ো হন।

বাঁশখালী ছাড়াও রাউজান, রাঙ্গুনিয়া ও উত্তর চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকার মানুষ প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে সড়কের দুই পাশে অবস্থান নেন। অনেকেই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দাঁড়িয়ে তাকে স্বাগত জানান।

দুপুর সোয়া ১টার দিকে কক্সবাজারের মহেশখালী থেকে হেলিকপ্টারযোগে বাঁশখালীর বাহারছড়া সমুদ্রসৈকতের হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তার সফরসঙ্গী অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বাহারছড়া এলাকায় সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য সরকারের পুনর্বাসন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। কর্মসূচির অংশ হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দেওয়া হয়। সরকারের উদ্যোগে ১০০টি গৃহহীন ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে নতুন ঘর দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

পুনর্বাসন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি তাদের পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং বন্যার কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে জানতে চান। এ সময় তিনি সেখানে একটি মেহগনি গাছের চারাও রোপণ করেন।

এরপর প্রধানমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দিতে বাঁশখালী উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে যান। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা বিতরণের কর্মসূচি রয়েছে।

গত ৭ জুলাই থেকে ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে বাঁশখালীসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন নিচু ও প্রত্যন্ত এলাকা প্লাবিত হয়। এতে অনেক ঘরবাড়ি, পুকুর, জলাশয় ও মৎস্য খামার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিপুলসংখ্যক মানুষ বন্যার কারণে ক্ষতির মুখে পড়েন। তাই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়।

পথে পথে উৎসুক জনতার ভিড়

বাঁশখালীতে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে রাউজান, রাঙ্গুনিয়া ও আশপাশের এলাকাতেও ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রধানমন্ত্রীর চলাচলের পথে দাঁড়িয়ে তাকে স্বাগত জানান।

বাহারছড়া সমুদ্রসৈকত এলাকাতেও দুপুরের আগ থেকেই বিপুলসংখ্যক মানুষ সমবেত হন। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে অনেকে স্লোগান দেন। দীর্ঘদিন পর দক্ষিণ চট্টগ্রামের এই উপকূলীয় এলাকায় সরকারপ্রধানের সফর ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

মহেশখালী থেকে বাঁশখালী

বাঁশখালীতে আসার আগে প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারের মহেশখালীতে মাতারবাড়ী বহুমুখী গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন বা মিডার আওতাধীন বিভিন্ন মেগা প্রকল্প পরিদর্শন করেন।

মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী নির্মাণাধীন বন্দরটির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন। জাপানের কাশিমা সমুদ্রবন্দরের আদলে নির্মাণাধীন মাতারবাড়ী বন্দরের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়েও তিনি আগ্রহ প্রকাশ করেন।

এ ছাড়া মহেশখালীর পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ঝুঁকি বিবেচনায় রেখে টেকসই উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি। স্বল্প ব্যয়ে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প নিয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

বাঁশখালীর কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারযোগে ফটিকছড়ির উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে পালাহগাজীর দীঘির পাড়সংলগ্ন হেলিপ্যাডে অবতরণের পর মোটরগাড়িতে নাজিরহাটের বাবুনগর মাদ্রাসায় যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং সংগঠনটির কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করার কথা রয়েছে।

পরে হাটহাজারীর আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা আমির প্রয়াত আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এরপর হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

দিনের শেষ কর্মসূচি হিসেবে সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউতে বিএনপির তৃণমূল, মহানগর ও জেলা পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

প্রধানমন্ত্রীর দিনব্যাপী চট্টগ্রাম সফরকে ঘিরে নগরীসহ উত্তর ও দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নাগরিক দুর্ভোগ নিরসন, বন্দরনগরীর অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিল্পায়ন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনার প্রত্যাশা করছেন চট্টগ্রামবাসী।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কিত তথ্য
আপডেটের সময় : ০৫:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬
২৭ সময় দৃশ্য

বাঁশখালীতে প্রধানমন্ত্রীর আগমন, জনতার ঢল ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন

আপডেটের সময় : ০৫:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৯ আগস্ট ২০২৬

এনামুল হক রাশেদী, চট্টগ্রামঃ

বাঁশখালীতে প্রধানমন্ত্রীর আগমনকে ঘিরে দক্ষিণ চট্টগ্রামের উপকূলীয় জনপদে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাহারছড়া সমুদ্রসৈকত এলাকায় পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানাতে বিভিন্ন এলাকা থেকে হাজারো মানুষ জড়ো হন।

বাঁশখালী ছাড়াও রাউজান, রাঙ্গুনিয়া ও উত্তর চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকার মানুষ প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে সড়কের দুই পাশে অবস্থান নেন। অনেকেই বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে দাঁড়িয়ে তাকে স্বাগত জানান।

দুপুর সোয়া ১টার দিকে কক্সবাজারের মহেশখালী থেকে হেলিকপ্টারযোগে বাঁশখালীর বাহারছড়া সমুদ্রসৈকতের হেলিপ্যাডে অবতরণ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তার সফরসঙ্গী অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বাহারছড়া এলাকায় সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য সরকারের পুনর্বাসন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। কর্মসূচির অংশ হিসেবে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের হাতে নতুন ঘরের চাবি তুলে দেওয়া হয়। সরকারের উদ্যোগে ১০০টি গৃহহীন ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে নতুন ঘর দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

পুনর্বাসন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের সঙ্গে কথা বলেন। তিনি তাদের পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং বন্যার কারণে সৃষ্ট ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে জানতে চান। এ সময় তিনি সেখানে একটি মেহগনি গাছের চারাও রোপণ করেন।

এরপর প্রধানমন্ত্রী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তা দিতে বাঁশখালী উচ্চবিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে যান। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মধ্যে ত্রাণ ও পুনর্বাসন সহায়তা বিতরণের কর্মসূচি রয়েছে।

গত ৭ জুলাই থেকে ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে বাঁশখালীসহ চট্টগ্রামের বিভিন্ন নিচু ও প্রত্যন্ত এলাকা প্লাবিত হয়। এতে অনেক ঘরবাড়ি, পুকুর, জলাশয় ও মৎস্য খামার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিপুলসংখ্যক মানুষ বন্যার কারণে ক্ষতির মুখে পড়েন। তাই বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন কর্মসূচিকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়।

পথে পথে উৎসুক জনতার ভিড়

বাঁশখালীতে প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে রাউজান, রাঙ্গুনিয়া ও আশপাশের এলাকাতেও ব্যাপক উৎসাহ দেখা যায়। বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ প্রধানমন্ত্রীর চলাচলের পথে দাঁড়িয়ে তাকে স্বাগত জানান।

বাহারছড়া সমুদ্রসৈকত এলাকাতেও দুপুরের আগ থেকেই বিপুলসংখ্যক মানুষ সমবেত হন। প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে অনেকে স্লোগান দেন। দীর্ঘদিন পর দক্ষিণ চট্টগ্রামের এই উপকূলীয় এলাকায় সরকারপ্রধানের সফর ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে।

মহেশখালী থেকে বাঁশখালী

বাঁশখালীতে আসার আগে প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজারের মহেশখালীতে মাতারবাড়ী বহুমুখী গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লাচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রসহ মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন বা মিডার আওতাধীন বিভিন্ন মেগা প্রকল্প পরিদর্শন করেন।

মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর পরিদর্শনের সময় প্রধানমন্ত্রী নির্মাণাধীন বন্দরটির বিভিন্ন দিক সম্পর্কে সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বিস্তারিত তথ্য নেন। জাপানের কাশিমা সমুদ্রবন্দরের আদলে নির্মাণাধীন মাতারবাড়ী বন্দরের উন্নয়ন পরিকল্পনা নিয়েও তিনি আগ্রহ প্রকাশ করেন।

এ ছাড়া মহেশখালীর পাহাড়ি ভূপ্রকৃতি, পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনার ঝুঁকি বিবেচনায় রেখে টেকসই উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার কথা জানান তিনি। স্বল্প ব্যয়ে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন প্রকল্প নিয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

বাঁশখালীর কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী হেলিকপ্টারযোগে ফটিকছড়ির উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে পালাহগাজীর দীঘির পাড়সংলগ্ন হেলিপ্যাডে অবতরণের পর মোটরগাড়িতে নাজিরহাটের বাবুনগর মাদ্রাসায় যাওয়ার কথা রয়েছে। সেখানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ এবং সংগঠনটির কেন্দ্রীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করার কথা রয়েছে।

পরে হাটহাজারীর আল-জামিয়াতুল আহলিয়া দারুল উলুম মঈনুল ইসলাম মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলামের প্রতিষ্ঠাতা আমির প্রয়াত আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। এরপর হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।

দিনের শেষ কর্মসূচি হিসেবে সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের রেডিসন ব্লু চট্টগ্রাম বে ভিউতে বিএনপির তৃণমূল, মহানগর ও জেলা পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে সাংগঠনিক সভায় যোগ দেওয়ার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর।

প্রধানমন্ত্রীর দিনব্যাপী চট্টগ্রাম সফরকে ঘিরে নগরীসহ উত্তর ও দক্ষিণ চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা গেছে। নাগরিক দুর্ভোগ নিরসন, বন্দরনগরীর অবকাঠামোগত উন্নয়ন, শিল্পায়ন, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে প্রধানমন্ত্রীর দিকনির্দেশনার প্রত্যাশা করছেন চট্টগ্রামবাসী।