কালিয়াকৈরে মাদক ও অস্ত্রসহ ৬ জন গ্রেফতার

মোঃশাকিল হোসেন,কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধিঃ
গাজীপুরের কালিয়াকৈরে মাদক ও অস্ত্রবিরোধী অভিযানে ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ। অভিযানে ১ কেজি গাঁজা, ৫৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ বেশ কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) সকালে কালিয়াকৈর উপজেলার আন্ধার মানিক এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। কালিয়াকৈর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালায়।
পুলিশ ও স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, অভিযানের শুরুতে আন্ধার মানিক এলাকার মাইদুল ইসলাম (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। পুলিশের দাবি, তিনি এলাকায় মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত বলে তাদের কাছে তথ্য ছিল। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১ কেজি গাঁজা, ৫৫০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং কয়েকটি দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়।
এ ঘটনায় মাইদুল ইসলামের সহযোগী হিসেবে আরও পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। তারা হলেন—মতিউর রহমানের ছেলে নাজমুল (৩২), আবুল হোসেনের ছেলে রাজু (১৯), আবুল কালামের ছেলে কবীর হোসেন (৪৫), মৃত ইউনুসের ছেলে ইব্রাহিম (৪৫)। আটক ব্যক্তিরা সবাই কালিয়াকৈর উপজেলার আন্ধার মানিক গ্রামের বাসিন্দা বলে পুলিশ জানিয়েছে।
কালিয়াকৈরে মাদক উদ্ধার অভিযানের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে স্বস্তি দেখা দিয়েছে। আন্ধার মানিক এলাকার বাসিন্দা ঈমান আলী বলেন, পুলিশ কয়েকজন অপরাধীকে ধরে নিয়ে গেছে। এতে এলাকার সাধারণ মানুষ কিছুটা স্বস্তি পেয়েছেন এবং শান্তিপূর্ণভাবে বসবাসের পরিবেশ তৈরি হবে বলে তারা আশা করছেন।
কালিয়াকৈর থানার অফিসার ইনচার্জ শহিদুল ইসলাম বলেন, মাদক ও অস্ত্রবিরোধী অভিযানে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ মাদক ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযানে এলাকার চিহ্নিত অপরাধীদের আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা মাদক ও অস্ত্রের ঘটনায় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। পরে তাদের আদালতে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে কালিয়াকৈরে অস্ত্র উদ্ধার ও মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে পুলিশ। স্থানীয়দের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত অভিযান ও নজরদারি আরও জোরদার করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
তবে গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ আদালতে প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত তারা আইনগতভাবে নির্দোষ হিসেবে বিবেচিত হবেন।








