বাংলাদেশ , বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
সর্বাধিক পঠিত

চট্টগ্রামে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা: ২৫১ সিমকার্ড ও ৮ সিমবক্স জব্দ

চট্টগ্রাম নগরের হালিশহর আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম জব্দ করেছে র‍্যাব-৭। অভিযানে বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের ২৫১টি সিমকার্ড, আটটি সিমবক্স এবং আধুনিক প্রযুক্তি সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

র‍্যাব-৭ চট্টগ্রাম বুধবার (২০ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, হালিশহর আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে। পরে মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে র‍্যাব-৭ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল বিটিআরসি ও এনটিএমসির কারিগরি সহায়তায় সেখানে অভিযান চালায়।

অভিযানকালে হালিশহর আবাসিক এলাকার ২৪ নম্বর বাড়ির ষষ্ঠ তলার একটি ভাড়া বাসা তালাবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তালা ভেঙে বাসার ভেতরে প্রবেশ করে বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, উদ্ধার করা সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে সাতটি ২৫৬ পোর্টের সিমবক্স, একটি ৫১২ পোর্টের সিমবক্স, তিনটি রাউটার, তিনটি পাওয়ার অ্যাডাপটার, দুটি মাইক্রোনেট সুইচ, একটি টিপি-লিংক সুইচ, একটি ডিজিটাল হোম ইউপিএস, একটি ব্যাটারি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি সরঞ্জাম।

এ ছাড়া গ্রামীণফোনের ২০টি এবং টেলিটকের ২৩১টিসহ মোট ২৫১টি সিমকার্ড জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া এসব সরঞ্জাম ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক কল অবৈধভাবে স্থানীয় নেটওয়ার্কে রাউটিং করা হতো বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

র‍্যাবের ভাষ্যমতে, অভিযুক্ত জিয়াবুল হক দীর্ঘদিন ধরে সফটওয়্যারভিত্তিক টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন। এর মাধ্যমে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছিল।

র‍্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, উদ্ধার করা আলামত পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হালিশহর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ধরনের অপরাধ বন্ধে নিয়মিত অভিযান এবং প্রযুক্তিগত নজরদারি আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কিত তথ্য
আপডেটের সময় : ১২:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬
৩১ সময় দৃশ্য

চট্টগ্রামে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা: ২৫১ সিমকার্ড ও ৮ সিমবক্স জব্দ

আপডেটের সময় : ১২:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরের হালিশহর আবাসিক এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসার বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম জব্দ করেছে র‍্যাব-৭। অভিযানে বিভিন্ন মোবাইল অপারেটরের ২৫১টি সিমকার্ড, আটটি সিমবক্স এবং আধুনিক প্রযুক্তি সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়েছে।

র‍্যাব-৭ চট্টগ্রাম বুধবার (২০ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে, হালিশহর আবাসিক এলাকার একটি ফ্ল্যাটে দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে। পরে মঙ্গলবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে র‍্যাব-৭ এর একটি বিশেষ আভিযানিক দল বিটিআরসি ও এনটিএমসির কারিগরি সহায়তায় সেখানে অভিযান চালায়।

অভিযানকালে হালিশহর আবাসিক এলাকার ২৪ নম্বর বাড়ির ষষ্ঠ তলার একটি ভাড়া বাসা তালাবদ্ধ অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে সাক্ষীদের উপস্থিতিতে তালা ভেঙে বাসার ভেতরে প্রবেশ করে বিপুল পরিমাণ সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, উদ্ধার করা সরঞ্জামের মধ্যে রয়েছে সাতটি ২৫৬ পোর্টের সিমবক্স, একটি ৫১২ পোর্টের সিমবক্স, তিনটি রাউটার, তিনটি পাওয়ার অ্যাডাপটার, দুটি মাইক্রোনেট সুইচ, একটি টিপি-লিংক সুইচ, একটি ডিজিটাল হোম ইউপিএস, একটি ব্যাটারি এবং অন্যান্য প্রযুক্তি সরঞ্জাম।

এ ছাড়া গ্রামীণফোনের ২০টি এবং টেলিটকের ২৩১টিসহ মোট ২৫১টি সিমকার্ড জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া এসব সরঞ্জাম ব্যবহার করে আন্তর্জাতিক কল অবৈধভাবে স্থানীয় নেটওয়ার্কে রাউটিং করা হতো বলে জানিয়েছে র‍্যাব।

র‍্যাবের ভাষ্যমতে, অভিযুক্ত জিয়াবুল হক দীর্ঘদিন ধরে সফটওয়্যারভিত্তিক টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি ব্যবহার করে অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা পরিচালনা করছিলেন। এর মাধ্যমে সরকার বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাচ্ছিল।

র‍্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) এ আর এম মোজাফ্ফর হোসেন বলেন, উদ্ধার করা আলামত পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য হালিশহর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। একই সঙ্গে এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অবৈধ ভিওআইপি ব্যবসা দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ধরনের অপরাধ বন্ধে নিয়মিত অভিযান এবং প্রযুক্তিগত নজরদারি আরও জোরদার করা প্রয়োজন।