ঠাকুরগাঁওয়ে গড়েয়া-শুখানপুকুরী সড়ক প্রশস্তকরণে সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন

সাংবাদিক মোঃ রহমত আরিফ, ঠাকুরগাঁও।
ঠাকুরগাঁও জেলার শুখানপুকুরী ইউনিয়নের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে গড়েয়া-শুখানপুকুরী সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের সম্ভাব্য স্থান পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)-এর কর্মকর্তারা, চীনা নাগরিক প্রতিনিধি, ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সুমন রানা মান্নান এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
সোমবার (২৭ জুলাই) এলজিইডির চলমান উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এ পরিদর্শন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা গড়েয়া থেকে ঝাঠিভাঙ্গা এবং পানিয়া ঘাট থেকে নতুন পাঁচপীর সুইচ গেট পর্যন্ত সড়কের বিভিন্ন অংশ সরেজমিনে ঘুরে দেখেন। তারা সড়কের বর্তমান অবস্থা, প্রয়োজনীয় প্রশস্ততা, নির্মাণ পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়নের সম্ভাব্যতা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গড়েয়া-শুখানপুকুরী সড়ক প্রশস্তকরণ বাস্তবায়িত হলে এলাকার মানুষের দৈনন্দিন যাতায়াত আরও সহজ, নিরাপদ ও দ্রুত হবে। দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বাসিন্দারা এই সড়কগুলোর উন্নয়নের দাবি জানিয়ে আসছেন। বর্তমান সরু সড়কের কারণে যানবাহন চলাচলে নানা ধরনের সমস্যা সৃষ্টি হয়, বিশেষ করে কৃষিপণ্য পরিবহন এবং জরুরি সেবার ক্ষেত্রে ভোগান্তি বাড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, সড়ক প্রশস্ত হলে কৃষকরা সহজে উৎপাদিত ফসল বাজারে নিতে পারবেন। এতে পরিবহন ব্যয় কমবে এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের গতি বাড়বে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী ও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন চলাচলেও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।
এলজিইডির কর্মকর্তারা জানান, পরিদর্শনের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে। পরবর্তী ধাপে কারিগরি মূল্যায়ন ও অন্যান্য আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসী আশা প্রকাশ করেছেন, ঠাকুরগাঁও সড়ক উন্নয়ন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এই প্রকল্প দ্রুত অনুমোদন পাবে এবং বাস্তবায়ন শুরু হবে। তাদের বিশ্বাস, সড়ক উন্নয়ন সম্পন্ন হলে শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থাই নয়, এলাকার অর্থনীতি, কৃষি, শিক্ষা এবং সামাজিক উন্নয়নেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
এলাকার মানুষের প্রত্যাশা, প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক প্রক্রিয়া দ্রুত শেষ করে গড়েয়া-শুখানপুকুরী সড়ক প্রশস্তকরণ প্রকল্পের কাজ শুরু করা হবে। এতে দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসান ঘটবে এবং ঠাকুরগাঁওয়ের এই অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে।








