মিরসরাই কৃষক দল সম্মেলনে নেতৃত্বে আশরাফ ও ফারুক

বাচ্ছু পাটোয়ারী,মিরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
চট্টগ্রামের মিরসরাই উপজেলায় জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের দ্বিবার্ষিক সম্মেলন উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (১৩ জুন) দিনব্যাপী মিরসরাই কলেজ মাঠে আয়োজিত এই সম্মেলনে হাজারো নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতিতে প্রাণচাঞ্চল্য তৈরি হয়।
সম্মেলনে ৯৫০ জন কাউন্সিলর প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন করেন। ভোট গণনা শেষে সভাপতি পদে আশরাফ উদ্দিন নির্বাচিত হন। তিনি পেয়েছেন ৪৭২ ভোট। অন্যদিকে সাধারণ সম্পাদক (সম্পাদক) পদে সাইফুল ইসলাম ফারুক বিজয়ী হন, যিনি পেয়েছেন ৪৮৩ ভোট। এই ফলাফল ঘোষণার পর নেতাকর্মীদের মধ্যে আনন্দ-উচ্ছ্বাস দেখা যায়।
সম্মেলনের সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক বদরুল আলম। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব নাজিম উদ্দীন। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপার্সনের সাবেক উপদেষ্টা আসলাম চৌধুরী। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি হাসান জাফির তুহিন।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সাধারণ সম্পাদক শহীদুল ইসলাম বাবুল এমপি, চট্টগ্রাম-১ আসনের সাংসদ নুরুল আমিন, চট্টগ্রাম উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার আলমগীর, কৃষক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট রবিউল হাসান পলাশসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
এছাড়া শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন মিরসরাই উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আব্দুল আউয়াল চৌধুরী, সদস্য সচিব আজিজুর রহমান চৌধুরী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন এবং সাবেক সদস্য সচিব গাজী নিজামসহ স্থানীয় নেতারা।
সম্মেলনে সকাল থেকেই বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ও সমর্থকের উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। মাঠজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ। বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত কৃষক দলের নেতাকর্মীরা ব্যানার, ফেস্টুন ও স্লোগানে পুরো এলাকা মুখরিত করে তোলে।
নেতারা বলেন, গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্বাচন সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করবে। তৃণমূল পর্যায়ে কৃষক দলের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন।
সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন নেতৃত্ব দায়িত্ব গ্রহণ করায় স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন গতি আসবে বলে মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে কৃষক সমাজের সমস্যা ও সংগঠনের কার্যক্রম আরও সুসংগঠিতভাবে এগিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।








