বাংলাদেশ , বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
সর্বাধিক পঠিত

উত্তম মেষপালক গীর্জা উদ্বোধন বিরামপুরে: দিনাজপুরে ধর্মীয় উৎসব

মোঃ নয়ন মিয়া দিনাজপুরে জেলা প্রতিনিধি

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার শ্যামপুর, পলিপ্রয়াগপুর এলাকায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে “উত্তম মেষপালক গীর্জা” এর জাঁকজমকপূর্ণ আশীর্বাদ, খ্রিস্টযাগ উৎসর্গ এবং শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ (২৫ এপ্রিল ২০২৬) দিনব্যাপী এই আয়োজনে স্থানীয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়সহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। পুরো এলাকা প্রার্থনা, ধর্মীয় গান ও আনন্দঘন পরিবেশে মুখরিত হয়ে ওঠে।

অনুষ্ঠানে প্রধান ধর্মীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গীর্জার আশীর্বাদ ও উদ্বোধন করেন দিনাজপুর ডাইওসিসের শ্রদ্ধেয় বিশপ সেবাষ্টিয়ান টুডু, ডিডি। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, এই গীর্জা শুধু একটি উপাসনালয় নয়, এটি হবে শান্তি, ভালোবাসা এবং মানবিক মূল্যবোধ চর্চার একটি কেন্দ্র।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দেশ। এমন ধর্মীয় আয়োজন সমাজে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও শক্তিশালী করে।

এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশেষ সহযোগিতা প্রদান করেন ধানজুড়ী মিশনের ইনচার্জ ফা: মানুয়েল হেম্ভ্রম। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিল ধানজুড়ী ক্যাথলিক ধর্মপল্লী, বিরামপুর, দিনাজপুর।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিরামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মিয়া শফিকুল আলম মামুন, সহ-সভাপতি মোঃ তোছাদ্দেক হোসেন তেছা, সাধারণ সম্পাদক মনজুর এলাহি চৌধুরী রুবেল, বিএনপি নেতা হায়দার শাহ ও ইব্রাহিম হোসেন বাবুসহ স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর জেলা বিএনপির অ্যাডভোকেট আবুল বাশার প্রিন্স, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রহমত আলী এবং পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

খ্রিস্টীয় ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে গীর্জা প্রাঙ্গণে শুভেচ্ছা বিনিময়, প্রার্থনা ও মিলনমেলার আয়োজন করা হয়। এতে অংশগ্রহণকারীরা ধর্মীয় সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য অনুভূতি প্রকাশ করেন।

স্থানীয়দের মতে, “উত্তম মেষপালক গীর্জা” উদ্বোধন বিরামপুর এলাকার জন্য একটি ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় ঘটনা হয়ে থাকবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কিত তথ্য
আপডেটের সময় : ১০:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
২৩ সময় দৃশ্য

উত্তম মেষপালক গীর্জা উদ্বোধন বিরামপুরে: দিনাজপুরে ধর্মীয় উৎসব

আপডেটের সময় : ১০:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

মোঃ নয়ন মিয়া দিনাজপুরে জেলা প্রতিনিধি

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার শ্যামপুর, পলিপ্রয়াগপুর এলাকায় ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে “উত্তম মেষপালক গীর্জা” এর জাঁকজমকপূর্ণ আশীর্বাদ, খ্রিস্টযাগ উৎসর্গ এবং শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ (২৫ এপ্রিল ২০২৬) দিনব্যাপী এই আয়োজনে স্থানীয় খ্রিস্টান সম্প্রদায়সহ বিভিন্ন ধর্মের মানুষের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা যায়। পুরো এলাকা প্রার্থনা, ধর্মীয় গান ও আনন্দঘন পরিবেশে মুখরিত হয়ে ওঠে।

অনুষ্ঠানে প্রধান ধর্মীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে গীর্জার আশীর্বাদ ও উদ্বোধন করেন দিনাজপুর ডাইওসিসের শ্রদ্ধেয় বিশপ সেবাষ্টিয়ান টুডু, ডিডি। তিনি তাঁর বক্তব্যে বলেন, এই গীর্জা শুধু একটি উপাসনালয় নয়, এটি হবে শান্তি, ভালোবাসা এবং মানবিক মূল্যবোধ চর্চার একটি কেন্দ্র।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সব ধর্মের মানুষের জন্য একটি শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানের দেশ। এমন ধর্মীয় আয়োজন সমাজে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও শক্তিশালী করে।

এছাড়া অনুষ্ঠানে বিশেষ সহযোগিতা প্রদান করেন ধানজুড়ী মিশনের ইনচার্জ ফা: মানুয়েল হেম্ভ্রম। সার্বিক ব্যবস্থাপনায় ছিল ধানজুড়ী ক্যাথলিক ধর্মপল্লী, বিরামপুর, দিনাজপুর।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বিরামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মিয়া শফিকুল আলম মামুন, সহ-সভাপতি মোঃ তোছাদ্দেক হোসেন তেছা, সাধারণ সম্পাদক মনজুর এলাহি চৌধুরী রুবেল, বিএনপি নেতা হায়দার শাহ ও ইব্রাহিম হোসেন বাবুসহ স্থানীয় ও জেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন দিনাজপুর জেলা বিএনপির অ্যাডভোকেট আবুল বাশার প্রিন্স, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রহমত আলী এবং পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যানসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

খ্রিস্টীয় ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে গীর্জা প্রাঙ্গণে শুভেচ্ছা বিনিময়, প্রার্থনা ও মিলনমেলার আয়োজন করা হয়। এতে অংশগ্রহণকারীরা ধর্মীয় সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের এক অনন্য অনুভূতি প্রকাশ করেন।

স্থানীয়দের মতে, “উত্তম মেষপালক গীর্জা” উদ্বোধন বিরামপুর এলাকার জন্য একটি ঐতিহাসিক ও স্মরণীয় ঘটনা হয়ে থাকবে।