ঈদ উপলক্ষে নারায়ণগঞ্জে ১৩ পশুর হাটের ইজারা সম্পন্ন করেছে প্রশাসন

ঈদুল আজহা সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলায় ১৩টি অস্থায়ী পশুর হাটের ইজারা কার্যক্রম সম্পন্ন করেছে উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার (১৯ মে) সদর উপজেলা পরিষদের সভাকক্ষে আনুষ্ঠানিকভাবে দরপত্র উন্মুক্ত করেন সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম ফয়েজ উদ্দিন। পরে যাচাই-বাছাই শেষে সর্বোচ্চ দরদাতাদের নাম ঘোষণা করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, এবার “নারায়ণগঞ্জ পশুর হাট ইজারা” কার্যক্রমে বেশ কয়েকটি হাটে বড় অঙ্কের দর জমা পড়ে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ দরদাতা হিসেবে ইজারা পেয়েছেন মো. লুৎফর রহমান। তিনি ৯২ লাখ ৫৫ হাজার ৭০০ টাকায় গোগনগর ইউনিয়নের পুরাতন সৈয়দপুর এলাকায় মোসা. হোসনে আরা বেগম গংদের নিজস্ব ভূমিতে অস্থায়ী পশুর হাটের ইজারা লাভ করেন।
অন্যদিকে সর্বনিম্ন ১ লাখ ৭৫ হাজার টাকায় বক্তাবলী বাজারসংলগ্ন খালি জায়গার পশুর হাটের ইজারা পান নজরুল ইসলাম। এছাড়া গোগনগর ইউনিয়নের সমিলসংলগ্ন আলী আকবর বেপারীর নিজস্ব ভূমি ২ লাখ ৬৬ হাজার টাকায় ইজারা পেয়েছেন হাবিবুর রহমান সেলিম।
বাড়িরটেক এলাকার ৩ নম্বর নিট রিফ্লেক্স গার্মেন্টস ও আলী হোসেন বেপারী মাদ্রাসাসংলগ্ন শাজাহান মিয়ার নিজস্ব ভূমিতে ৭ লাখ ৬ হাজার টাকায় ইজারা পেয়েছেন সোহেল। একই ইউনিয়নের আওয়ালের গুদারাঘাটসংলগ্ন খালি জায়গার হাট ২ লাখ টাকায় ইজারা নিয়েছেন লিটন মিয়া।
এদিকে বুড়িগঙ্গা নদীর পূর্বপাড়ে ডিক্রিরচর খেয়াঘাটসংলগ্ন বালুর মাঠের হাট ১০ লাখ ৭ হাজার ৫০০ টাকায় ইজারা পেয়েছেন আব্দুর রহমান। বক্তাবলী ইউনিয়নের প্রসন্ননগর ফকির মার্কেটসংলগ্ন শাহ নুরুল ইসলামের জমির হাট ২ লাখ ২৫ হাজার টাকায় পেয়েছেন আবুল খায়ের।
“সদর উপজেলার পশুর হাট” ঘিরে কাশিপুর ইউনিয়নেও ছিল ব্যাপক আগ্রহ। ওরিয়ন পাওয়ার প্ল্যান্টসংলগ্ন মামুন সাহেবের বালুর মাঠ ৬ লাখ ৩০ হাজার টাকায় ইজারা পেয়েছেন রাশেদুল ইসলাম। কুতুবপুর ইউনিয়নের নয়ামাটি এলাকায় মার্কাজ মসজিদসংলগ্ন পরিত্যক্ত মাঠের হাট ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫০০ টাকায় ইজারা পেয়েছেন আরিফুর রহমান।
একই ইউনিয়নের ভূঁইগড় সোনালী সংসদসংলগ্ন খেলার মাঠের হাট ৩০ লাখ ৫০ হাজার টাকায় ইজারা পেয়েছেন মাজেদুল হক মাজু। এছাড়া সাইনবোর্ডসংলগ্ন শান্তিধারা মসজিদের পাশের খালি মাঠের হাট ১৬ লাখ ৭৫ হাজার টাকায় ইজারা নিয়েছেন শহিদুল ইসলাম টিটু।
আলীগঞ্জ এলাকার ট্রাকস্ট্যান্ডসংলগ্ন হাট ৭ লাখ ৫০ হাজার টাকায় ইজারা পেয়েছেন সাখাওয়াত হোসেন। অন্যদিকে পাগলা আন্তজেলা ট্রাকস্ট্যান্ড মাঠের হাট ৬ লাখ টাকায় ইজারা নিয়েছেন মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, অনুমোদিত দরদাতাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সম্পূর্ণ অর্থ পরিশোধ করতে হবে। কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, অনিয়ম বা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি হলে সংশ্লিষ্ট ইজারা বাতিল করা হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।








