নোবিপ্রবি বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে শিক্ষামন্ত্রীর শিক্ষা উন্নয়ন বক্তব্য

শিক্ষাই হচ্ছে সকলের মূল সম্পদ—এমন মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সরকার বাজেট প্রণয়ন করছে এবং প্রধানমন্ত্রীর অগ্রাধিকার তালিকায় শিক্ষা অন্যতম প্রধান খাত হিসেবে রয়েছে।
সোমবার (২২ জুন) দুপুরে নোয়াখালীতে অবস্থিত নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি) এর ২০তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন ও ডিনস এবং ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে কেক কাটা, পায়রা উড়ানো এবং বর্ণাঢ্য র্যালির মাধ্যমে দিবসটির উদ্বোধন করা হয়।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষাকে মানবসম্পদ উন্নয়নের মূল হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করছে। বিশেষ করে কারিগরি শিক্ষার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে যাতে দেশের বিপুল জনগোষ্ঠীকে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তর করা যায়। তিনি বলেন, ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকেই কারিগরি শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়টি গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে।
তিনি আরও দাবি করেন, অতীতের বিভিন্ন সময়ে শিক্ষা খাতে কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি না থাকায় কিছু প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে মাদরাসা শিক্ষকদের বেতন ও ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইটিএফ) ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে অর্থ ব্যবস্থাপনায় সমস্যা দেখা দিয়েছে। তবে বর্তমান সরকার এসব সমস্যা সমাধানে কাজ করছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বক্তব্যে তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের জন্য শিক্ষাকে আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করা জরুরি। মাদরাসা শিক্ষাকে আধুনিকায়নের পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষাকে আরও বিস্তৃত করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো. শাহজাহান, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ এবং নোবিপ্রবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ক্ষেত্রে কৃতিত্বের স্বীকৃতি হিসেবে ৪৯ জন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীকে ডিনস অ্যাওয়ার্ড এবং তিনজনকে ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে র্যালি ও সাংস্কৃতিক আয়োজনের মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করা হয়।








