বাংলাদেশ , বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
রাজশাহী সীমান্তে ১৫ হাজার ভারতীয় ইলেকট্রিক রেজিস্টেন্স জব্দ নবাবগঞ্জে ছাদে গাঁজা চাষ, গাছসহ যুবক গ্রেফতার বোচাগঞ্জ স্টেডিয়ামে বরাদ্দ, ২০২৯ সালে বিরলে নতুন স্টেডিয়াম কালিয়াকৈরে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত এসআরবি-১৪ নবাগত অধিনায়কের রেঞ্জ ডিআইজির সঙ্গে সাক্ষাৎ ময়মনসিংহে বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক উন্নয়ন সভা ঠাকুরগাঁওয়ে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ২৫ পিস ইয়াবা ও ১৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার পত্নীতলায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৫, রাজশাহী মেডিকেলে রেফার কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উন্নত সেবার লক্ষ্যে মতবিনিময় কালিয়াকৈরে মাদক ও অস্ত্রসহ ৬ জন গ্রেফতার
সর্বাধিক পঠিত
রাজশাহী সীমান্তে ১৫ হাজার ভারতীয় ইলেকট্রিক রেজিস্টেন্স জব্দ নবাবগঞ্জে ছাদে গাঁজা চাষ, গাছসহ যুবক গ্রেফতার বোচাগঞ্জ স্টেডিয়ামে বরাদ্দ, ২০২৯ সালে বিরলে নতুন স্টেডিয়াম কালিয়াকৈরে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত এসআরবি-১৪ নবাগত অধিনায়কের রেঞ্জ ডিআইজির সঙ্গে সাক্ষাৎ ময়মনসিংহে বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের সাংগঠনিক উন্নয়ন সভা ঠাকুরগাঁওয়ে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ২৫ পিস ইয়াবা ও ১৫০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার পত্নীতলায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ৫, রাজশাহী মেডিকেলে রেফার কালিয়াকৈর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উন্নত সেবার লক্ষ্যে মতবিনিময় কালিয়াকৈরে মাদক ও অস্ত্রসহ ৬ জন গ্রেফতার

ফরিদপুরে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, গ্রেপ্তার ৭

এনামুল হক, ফরিদপুর উপজেলা (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার ফরিদপুরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামি, মাদক সেবনের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলার এজাহারনামীয় আসামিসহ মোট ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ফরিদপুর থানা পুলিশ।

পুলিশের এই অভিযানকে কেন্দ্র করে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ফরিদপুরে পুলিশের অভিযান চলাকালে বিভিন্ন মামলার আসামিদের শনাক্ত করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গ্রেপ্তারকৃতদের প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

পুলিশের নেতৃত্বে পৃথক অভিযান

ফরিদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মঞ্জুরুল হাসান মাসুদের নেতৃত্বে এবং পাবনার পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে এসআই নুর মোহাম্মদ, এসআই (নিঃ) আরিফুল ইসলাম, এএসআই শাহানুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।

থানা পুলিশ জানায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বিভিন্ন মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সিআর মামলা নং-৫৬/২৪ (ফরিদপুর)-এর দুই মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামি শামসুল প্রামাণিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি মাদারজানী এলাকার বাসিন্দা এবং তার বাবার নাম মো. ইন্তাজ প্রামাণিক।

পুলিশ জানায়, আদালতের দেওয়া সাজা কার্যকর করার অংশ হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে আইনগত প্রক্রিয়ার আওতায় নেওয়া হয়েছে।

মাদক সেবনের অভিযোগে তিনজন গ্রেপ্তার

এ ছাড়া সামারী ট্রায়ালের জন্য মাদক সেবনের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন শাহিন (৩৮), মো. রুবেল হোসেন (৩৫) এবং মো. রুহুল আমীন (২৯)।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শাহিনের বাবার নাম আনজাদ প্রাং এবং তার বাড়ি খলিশাদহ এলাকায়। অপর দুই আসামি মো. রুবেল হোসেন ও মো. রুহুল আমীনের বাবার নাম মো. আলী আসগর। তারা দিঘুলিয়া এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ জানিয়েছে, মাদক সেবনের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরে সামারী ট্রায়ালের জন্য সংশ্লিষ্ট আদালতে তাদের সোপর্দ করা হয়।

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তিনজন

অপরদিকে, ফরিদপুর থানার মামলা নং-০৪, তারিখ ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ৮/৯/১০/১১/১২ ধারায় দায়ের করা মামলায় এজাহারনামীয় তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন রাজু আহমেদ, মো. শফিকুল ইসলাম ও মো. শরীফ হোসেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রাজু আহমেদের বাবার নাম মো. রেজাউল। মো. শফিকুল ইসলামের বাবার নাম হাফিজুল ইসলাম। তারা দুজন চিথুলিয়া এলাকার বাসিন্দা। অপর আসামি মো. শরীফ হোসেনের বাবার নাম শাহজাহান। তার বাড়ি বেড়হাউলিয়া এলাকায়।

ফরিদপুরে ৭ জন গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনায় স্থানীয়ভাবে পুলিশের অভিযান নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ ও মামলার বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। আদালতের সিদ্ধান্তের আগে কাউকে দোষী হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা আইনগতভাবে সঠিক নয়।

আদালতে সোপর্দ

ফরিদপুর থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত সাতজনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার পুলিশ স্কর্টের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মাদকবিরোধী কার্যক্রম এবং অপরাধ দমনে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

থানা পুলিশ আরও জানিয়েছে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের টহল ও নজরদারিও অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের নিয়মিত অভিযান গুরুত্বপূর্ণ। তবে যেকোনো অভিযানে আইনগত প্রক্রিয়া ও আসামিদের অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

ফরিদপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কিত তথ্য
আপডেটের সময় : ০৬:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২৬ সময় দৃশ্য

ফরিদপুরে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, গ্রেপ্তার ৭

আপডেটের সময় : ০৬:১০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এনামুল হক, ফরিদপুর উপজেলা (পাবনা) প্রতিনিধি:

পাবনার ফরিদপুরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান পরিচালিত হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে সাজাপ্রাপ্ত আসামি, মাদক সেবনের অভিযোগে অভিযুক্ত এবং সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলার এজাহারনামীয় আসামিসহ মোট ৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ফরিদপুর থানা পুলিশ।

পুলিশের এই অভিযানকে কেন্দ্র করে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। ফরিদপুরে পুলিশের অভিযান চলাকালে বিভিন্ন মামলার আসামিদের শনাক্ত করে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে গ্রেপ্তারকৃতদের প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

পুলিশের নেতৃত্বে পৃথক অভিযান

ফরিদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মঞ্জুরুল হাসান মাসুদের নেতৃত্বে এবং পাবনার পুলিশ সুপারের দিকনির্দেশনায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে এসআই নুর মোহাম্মদ, এসআই (নিঃ) আরিফুল ইসলাম, এএসআই শাহানুর রহমানসহ পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।

থানা পুলিশ জানায়, উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারের লক্ষ্যে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বিভিন্ন মামলার সঙ্গে সম্পৃক্ত সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সিআর মামলা নং-৫৬/২৪ (ফরিদপুর)-এর দুই মাসের সাজাপ্রাপ্ত আসামি শামসুল প্রামাণিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তিনি মাদারজানী এলাকার বাসিন্দা এবং তার বাবার নাম মো. ইন্তাজ প্রামাণিক।

পুলিশ জানায়, আদালতের দেওয়া সাজা কার্যকর করার অংশ হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তাকে আইনগত প্রক্রিয়ার আওতায় নেওয়া হয়েছে।

মাদক সেবনের অভিযোগে তিনজন গ্রেপ্তার

এ ছাড়া সামারী ট্রায়ালের জন্য মাদক সেবনের অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা হলেন শাহিন (৩৮), মো. রুবেল হোসেন (৩৫) এবং মো. রুহুল আমীন (২৯)।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, শাহিনের বাবার নাম আনজাদ প্রাং এবং তার বাড়ি খলিশাদহ এলাকায়। অপর দুই আসামি মো. রুবেল হোসেন ও মো. রুহুল আমীনের বাবার নাম মো. আলী আসগর। তারা দিঘুলিয়া এলাকার বাসিন্দা।

পুলিশ জানিয়েছে, মাদক সেবনের অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পরে সামারী ট্রায়ালের জন্য সংশ্লিষ্ট আদালতে তাদের সোপর্দ করা হয়।

সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় তিনজন

অপরদিকে, ফরিদপুর থানার মামলা নং-০৪, তারিখ ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, সন্ত্রাসবিরোধী আইন, ২০০৯-এর ৮/৯/১০/১১/১২ ধারায় দায়ের করা মামলায় এজাহারনামীয় তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন রাজু আহমেদ, মো. শফিকুল ইসলাম ও মো. শরীফ হোসেন।

পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, রাজু আহমেদের বাবার নাম মো. রেজাউল। মো. শফিকুল ইসলামের বাবার নাম হাফিজুল ইসলাম। তারা দুজন চিথুলিয়া এলাকার বাসিন্দা। অপর আসামি মো. শরীফ হোসেনের বাবার নাম শাহজাহান। তার বাড়ি বেড়হাউলিয়া এলাকায়।

ফরিদপুরে ৭ জন গ্রেপ্তার হওয়ার ঘটনায় স্থানীয়ভাবে পুলিশের অভিযান নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে। তবে গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে থাকা অভিযোগ ও মামলার বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। আদালতের সিদ্ধান্তের আগে কাউকে দোষী হিসেবে চূড়ান্তভাবে বিবেচনা করা আইনগতভাবে সঠিক নয়।

আদালতে সোপর্দ

ফরিদপুর থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃত সাতজনকে প্রয়োজনীয় আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার পুলিশ স্কর্টের মাধ্যমে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং বিভিন্ন মামলার আসামিদের গ্রেপ্তারে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে মাদকবিরোধী কার্যক্রম এবং অপরাধ দমনে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত থাকবে।

থানা পুলিশ আরও জানিয়েছে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান পরিচালনার পাশাপাশি আইন ভঙ্গকারীদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। উপজেলার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের টহল ও নজরদারিও অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের নিয়মিত অভিযান গুরুত্বপূর্ণ। তবে যেকোনো অভিযানে আইনগত প্রক্রিয়া ও আসামিদের অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

ফরিদপুর থানা পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধ নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলমান থাকবে।