রাঙামাটিতে কোতয়ালী পুলিশের অভিযানে ৬ জন গ্রেফতার, ইয়াবা উদ্ধার

মোঃকামরুল ইসলাম, রাঙামাটি প্রতিনিধি:
রাঙামাটিতে বিশেষ অভিযান চালিয়ে চার মাদক কারবারি, এক মাদকসেবী ও জিআর সাজা পরোয়ানাভুক্ত এক আসামিসহ মোট ছয়জনকে গ্রেফতার করেছে কোতয়ালী থানা পুলিশ। এ সময় দুই আসামির হেফাজত থেকে ২২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাঙামাটি পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। রাঙামাটি কোতয়ালী পুলিশ জানিয়েছে, মাদকবিরোধী অভিযান ও পরোয়ানাভুক্ত আসামিদের গ্রেফতারে নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব, পিপিএমের নির্দেশনায় কোতয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. জসীম উদ্দীন এবং পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোকলেছুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশের একটি আভিযানিক দল পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে।
অভিযানে মো. মাসুম রহমান (২৭), পিতা মো. ইসমাইল হোসেন, স্থায়ী ঠিকানা সাপমারা পাহাড় এবং বর্তমান ঠিকানা এডিসি কলোনী এবং উচ্ছাস দাশ (২৪), পিতা অরুন দাস, সাং আসামবস্তি, রাঙামাটিকে গ্রেফতার করা হয়। পুলিশের দাবি, তাদের হেফাজত থেকে মোট ২২ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ জানায়, গ্রেফতার মো. মাসুম রহমানের বিরুদ্ধে জিআর সাজা পরোয়ানা মুলতবি ছিল। এ কারণে তাকে ওই সাজা পরোয়ানামূলে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে।
এ ছাড়া মাদক কারবারের অভিযোগে দীপক দাস (৫৫), পিতা মনমোহন দাস, সাং কলেজ গেইট এবং তোতা মিয়া (২২), পিতা মৃত আব্দুস ছোবহান, সাং রিজার্ভ বাজার, কোতয়ালী, রাঙামাটিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
অন্যদিকে, মাদক সেবনের অভিযোগে মো. ইমন হোসেন (২০), পিতা মো. দুলাল হোসেন, সাং ওয়াপদা কলোনী, ৪ নম্বর ওয়ার্ড, কোতয়ালী, রাঙামাটিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গ্রেফতার ছয়জনের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট আইনে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। পরে বিধি অনুযায়ী তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।
এদিকে, রাঙামাটিতে মাদকবিরোধী পুলিশের এমন অভিযান অব্যাহত থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং মাদকের বিস্তার নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত অভিযান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে গ্রেফতার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে আদালতের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তাদের দোষী হিসেবে গণ্য করা যাবে না। আইন অনুযায়ী অভিযোগ প্রমাণিত হলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।








