রিফাত কামাল আহমেদ সভাপতি, পাল্লা মাহবুব বিদ্যালয়ে এডহক কমিটি

মোঃ বেল্লাল হোসাইন নাঈম,স্টাফ রিপোর্টার
নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার অন্যতম শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পাল্লা মাহবুব আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়-এর এডহক (ম্যানেজিং) কমিটির সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ ও শিক্ষানুরাগী রিফাত কামাল আহমেদ। সম্প্রতি মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লার এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তার এই নিয়োগের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করা হয়েছে।
গত ৮ জুন ২০২৬ তারিখে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, কুমিল্লার পরিদর্শক (বিদ্যালয়) স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে রিফাত কামাল আহমেদ-কে পাল্লা মাহবুব আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়-এর এডহক (ম্যানেজিং) কমিটির সভাপতি হিসেবে মনোনীত করা হয়। এডহক কমিটির অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। শিক্ষক প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ মহিন উদ্দিন এবং অভিভাবক প্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির স্বপন।
শিক্ষা উন্নয়ন ও সামাজিক কর্মকাণ্ডে দীর্ঘদিনের সম্পৃক্ততার কারণে স্থানীয়ভাবে রিফাত কামাল আহমেদ একজন সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। তিনি উপজেলার ৫ নম্বর মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের পশ্চিম অঞ্চল বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। শিক্ষা ও সমাজসেবামূলক বিভিন্ন উদ্যোগে তার সক্রিয় অংশগ্রহণ স্থানীয় মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া তৈরি করেছে।
নিয়োগের পর এক প্রতিক্রিয়ায় রিফাত কামাল আহমেদ সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, “আমি এর আগেও পাল্লা মাহবুব আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের এডহক কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছি। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে এবার আরও কার্যকরভাবে বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের উন্নয়ন, শিক্ষার মান বৃদ্ধি এবং অবকাঠামোগত অগ্রগতিতে কাজ করতে চাই। এ জন্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও এলাকার সচেতন নাগরিকদের সহযোগিতা প্রয়োজন।”
এ সময় তিনি নোয়াখালী-১ (চাটখিল-সোনাইমুড়ী) আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট আবু হানিফ, সিনিয়র সহ-সভাপতি শাহজাহান রানা, যুগ্ম আহ্বায়ক আনিছ আহমেদ হানিফসহ দলীয় নেতাকর্মী এবং শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।
স্থানীয় শিক্ষানুরাগীরা মনে করছেন, রিফাত কামাল আহমেদ-এর নেতৃত্বে পাল্লা মাহবুব আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় শিক্ষার মানোন্নয়ন, সুশাসন এবং শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে নতুন গতি পাবে। বিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নয়নে তার অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।








