চট্টগ্রাম বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল: মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাব

চট্টগ্রাম, শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গত এক মাসে মোট ২০১টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। সর্বশেষ শুক্রবার রাতে আরও ৭টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়। এই পরিস্থিতি মূলত মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের কারণে।
বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া সংকটের মধ্যে শুক্রবারের ৭টি ফ্লাইটসহ মোট ২০১টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।
ফ্লাইট বাতিলের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত একটি অ্যারাইভাল ফ্লাইট, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের চারটি মধ্যপ্রাচ্যগামী ডিপার্চার ফ্লাইট এবং এয়ার অ্যারাবিয়া ও সালাম এয়ারের দুটি ফ্লাইট অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ হামলার পর ইরানের পাল্টা হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়েছে। ফলে চট্টগ্রামসহ বিশ্বের বিভিন্ন বিমানবন্দরে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চলাচলে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে।
বিমানবন্দর সূত্রে আরও জানানো হয়েছে, যুদ্ধ পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত ফ্লাইটের সূচিতে আরও পরিবর্তন আসতে পারে। যাত্রীদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে বিমান সংস্থাগুলো নিয়মিত আপডেট প্রকাশ করছে।
চট্টগ্রাম বিমানবন্দরের এই পরিস্থিতি দেশের আন্তর্জাতিক বিমান পরিবহনকে প্রভাবিত করেছে। যাত্রীরা তাদের ভ্রমণ পরিকল্পনায় সতর্কতা অবলম্বন করতে এবং বিমান সংস্থার নতুন সূচি অনুসরণ করতে অনুরোধ করা হচ্ছে।








