বাংলাদেশ , বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
সর্বাধিক পঠিত

বিরামপুর বোরো ধান ক্ষতি: আগাম শিলাবৃষ্টিতে কৃষকের ক্ষয়

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় আকস্মিক আগাম বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টিতে বোরো ধান ক্ষতির শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। কাটলা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ভাঙ্গা দিঘী খিয়ার মাউনপুর এলাকায় প্রায় ১৫ একর বোরো ধান ক্ষেত পানি-সিক্ত হয়ে পড়েছে। স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, কয়েকদিন আগেও এই ক্ষেতগুলো সবুজে ভরা ছিল এবং তাদের স্বপ্নের ফসল হিসেবে এগুলো দেখতে পাচ্ছিলেন।

স্থানীয় কৃষক মোঃ হেলাল উদ্দিন বলেন, “আমরা অনেক কষ্ট করে ঋণ নিয়ে এই ধান চাষ করেছি। হঠাৎ আগাম শিলাবৃষ্টি আমাদের সব আশা ভেঙে দিয়েছে। যদি দ্রুত পানি না নেমে যায়, পুরো ফসল নষ্ট হতে পারে।” প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন কৃষক এই মুহূর্তে চরম দুশ্চিন্তায় আছেন।

কৃষকরা আরও জানান, এ ধরনের আগাম শিলাবৃষ্টি মৌসুম অনুযায়ী খুবই অস্বাভাবিক এবং এ কারণে তাদের বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে। তারা সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে জরুরি সহযোগিতা ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাদের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা। তারা চেয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব করে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হোক। চলতি মৌসুমে বোরো ধান নিয়ে কৃষকদের অনেক আশা থাকলেও, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ তাদের স্বপ্নে বড় ধাক্কা দিয়েছে।

বিভিন্ন বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, আবহাওয়ার অস্বাভাবিক পরিবর্তন কৃষি খাতকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে। এ ধরনের দুর্যোগ থেকে বাঁচতে কৃষকদের বীমা ও কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করা জরুরি।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কিত তথ্য
আপডেটের সময় : ০৩:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬
২৭ সময় দৃশ্য

বিরামপুর বোরো ধান ক্ষতি: আগাম শিলাবৃষ্টিতে কৃষকের ক্ষয়

আপডেটের সময় : ০৩:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মার্চ ২০২৬

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় আকস্মিক আগাম বৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টিতে বোরো ধান ক্ষতির শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে। কাটলা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ডের ভাঙ্গা দিঘী খিয়ার মাউনপুর এলাকায় প্রায় ১৫ একর বোরো ধান ক্ষেত পানি-সিক্ত হয়ে পড়েছে। স্থানীয় কৃষকরা জানিয়েছেন, কয়েকদিন আগেও এই ক্ষেতগুলো সবুজে ভরা ছিল এবং তাদের স্বপ্নের ফসল হিসেবে এগুলো দেখতে পাচ্ছিলেন।

স্থানীয় কৃষক মোঃ হেলাল উদ্দিন বলেন, “আমরা অনেক কষ্ট করে ঋণ নিয়ে এই ধান চাষ করেছি। হঠাৎ আগাম শিলাবৃষ্টি আমাদের সব আশা ভেঙে দিয়েছে। যদি দ্রুত পানি না নেমে যায়, পুরো ফসল নষ্ট হতে পারে।” প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন কৃষক এই মুহূর্তে চরম দুশ্চিন্তায় আছেন।

কৃষকরা আরও জানান, এ ধরনের আগাম শিলাবৃষ্টি মৌসুম অনুযায়ী খুবই অস্বাভাবিক এবং এ কারণে তাদের বড় ধরনের অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে। তারা সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কাছে জরুরি সহযোগিতা ও ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন।

স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তাদের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা। তারা চেয়েছেন, ক্ষয়ক্ষতির সঠিক হিসাব করে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা হোক। চলতি মৌসুমে বোরো ধান নিয়ে কৃষকদের অনেক আশা থাকলেও, এই প্রাকৃতিক দুর্যোগ তাদের স্বপ্নে বড় ধাক্কা দিয়েছে।

বিভিন্ন বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, আবহাওয়ার অস্বাভাবিক পরিবর্তন কৃষি খাতকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলছে। এ ধরনের দুর্যোগ থেকে বাঁচতে কৃষকদের বীমা ও কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করা জরুরি।