বাংলাদেশ , বুধবার, ১৩ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
সর্বাধিক পঠিত

গাইবান্ধায় দুর্নীতি প্রতিরোধে গণশুনানী অথবা

গাইবান্ধায় বিভিন্ন সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সেবার মান উন্নয়ন এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার গাইবান্ধা ইনডোর স্টেডিয়ামে এই গণশুনানীর আয়োজন করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম। তিনি বলেন, দেশে দুর্নীতি কমাতে প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা বাড়াতে প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ডিজিটালাইজেশন আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন রংপুর দুর্নীতি দমন কমিশনের নুর বকস্ বাবুল। গীতা পাঠ করেন জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য উজ্জল চক্রবর্তী।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই গণশুনানীতে বক্তব্য দেন দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন, মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরীফ আল রাজীব এবং জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি এম. আব্দুস সালামসহ আরও অনেকে।

গণশুনানীতে বিভিন্ন সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত দপ্তর, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আনা ৯৭টি অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়। এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা সরাসরি জবাব দেন। এতে সাধারণ মানুষ তাদের সমস্যার কথা তুলে ধরার সুযোগ পান।

প্রধান অতিথি মোহাম্মদ খালেদ রহীম বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে দুর্নীতি দমন কমিশনকে আরও শক্তিশালী ও স্বাধীনভাবে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, সরকারি সেবার মান বৃদ্ধি এবং দ্রুত সেবা নিশ্চিত করা গেলে দুর্নীতি অনেকাংশে কমে আসবে।

তিনি জানান, দেশের প্রতিটি জেলায় এ ধরনের গণশুনানী আয়োজন করা হচ্ছে, যাতে জনগণ সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিক জবাবদিহিতার আওতায় আসেন।

গাইবান্ধায় অনুষ্ঠিত এই গণশুনানীকে স্থানীয়রা ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন। সচেতন মহল মনে করছে, নিয়মিত এ ধরনের আয়োজন হলে সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা ও জনগণের আস্থা আরও বাড়বে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কিত তথ্য
আপডেটের সময় : ০৭:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
২১ সময় দৃশ্য

গাইবান্ধায় দুর্নীতি প্রতিরোধে গণশুনানী অথবা

আপডেটের সময় : ০৭:০৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

গাইবান্ধায় বিভিন্ন সরকারি, আধা-সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সেবার মান উন্নয়ন এবং দুর্নীতি প্রতিরোধে গণশুনানী অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার গাইবান্ধা ইনডোর স্টেডিয়ামে এই গণশুনানীর আয়োজন করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ও জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্নীতি দমন কমিশনের সচিব মোহাম্মদ খালেদ রহীম। তিনি বলেন, দেশে দুর্নীতি কমাতে প্রশাসনিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা বাড়াতে প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ডিজিটালাইজেশন আরও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।

অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন রংপুর দুর্নীতি দমন কমিশনের নুর বকস্ বাবুল। গীতা পাঠ করেন জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য উজ্জল চক্রবর্তী।

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান মোল্লার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই গণশুনানীতে বক্তব্য দেন দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের মহাপরিচালক মো. মোতাহার হোসেন, মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো. আক্তার হোসেন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শরীফ আল রাজীব এবং জেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি এম. আব্দুস সালামসহ আরও অনেকে।

গণশুনানীতে বিভিন্ন সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত দপ্তর, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে আনা ৯৭টি অভিযোগ উপস্থাপন করা হয়। এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা সরাসরি জবাব দেন। এতে সাধারণ মানুষ তাদের সমস্যার কথা তুলে ধরার সুযোগ পান।

প্রধান অতিথি মোহাম্মদ খালেদ রহীম বলেন, দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নে দুর্নীতি দমন কমিশনকে আরও শক্তিশালী ও স্বাধীনভাবে কাজ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, সরকারি সেবার মান বৃদ্ধি এবং দ্রুত সেবা নিশ্চিত করা গেলে দুর্নীতি অনেকাংশে কমে আসবে।

তিনি জানান, দেশের প্রতিটি জেলায় এ ধরনের গণশুনানী আয়োজন করা হচ্ছে, যাতে জনগণ সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারে এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিক জবাবদিহিতার আওতায় আসেন।

গাইবান্ধায় অনুষ্ঠিত এই গণশুনানীকে স্থানীয়রা ইতিবাচক উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন। সচেতন মহল মনে করছে, নিয়মিত এ ধরনের আয়োজন হলে সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা ও জনগণের আস্থা আরও বাড়বে।