বাংলাদেশ , বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬, ৩০ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
সর্বাধিক পঠিত

চসিক স্বাধীনতা পদক ২০২৬ ও সাহিত্য সম্মাননা: ১৩ জন মনোনীত

মোঃ দিদারুল ইসলাম, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) “চসিক স্বাধীনতা পদক ২০২৬” এবং “চসিক সাহিত্য সম্মাননা ২০২৬” ঘোষণা করেছে। এবারের তালিকায় মোট ৮ জন ব্যক্তি ও ৩টি প্রতিষ্ঠান স্বাধীনতা স্মারক পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন। পাশাপাশি সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ৫ জন বিশিষ্ট লেখক ও গবেষককে সাহিত্য সম্মাননার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।

শনিবার চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামের জিমনেসিয়াম চত্বরে স্বাধীনতা বইমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা প্রদান করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন চসিক মেয়র শাহাদাত হোসেন।

চসিক সূত্রে জানা যায়, স্বাধীনতা স্মারক পদকের জন্য মনোনীতদের মধ্যে রয়েছেন স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রয়াত নেতা আবদুল্লাহ আলম নোমান (মরণোত্তর), মুক্তিযোদ্ধা মো. একরামুল করিম, শিক্ষাক্ষেত্রে নূর আহমদ চেয়ারম্যান (মরণোত্তর), চিকিৎসা খাতে এম এ ফয়েজ এবং সাংবাদিকতায় ডা. ম. রমিজ উদ্দিন চৌধুরী।

এছাড়া ক্রীড়া ক্ষেত্রে সাবেক জাতীয় ক্রিকেট অধিনায়ক আকরাম খান, সমাজসেবায় বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, স্বাস্থ্যসেবায় মা ও শিশু হাসপাতাল, সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে জাসাস, সঙ্গীতে আবদুল মান্নান রানা এবং আঞ্চলিক ভাষায় অবদানের জন্য বুলবুল আকতারকে মনোনীত করা হয়েছে।

অন্যদিকে “চসিক সাহিত্য সম্মাননা ২০২৬” এর আওতায় গীতিকবিতায় ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, শিশু সাহিত্যে সৈয়দ খালেদুল আনোয়ার, প্রবন্ধ ও গবেষণায় হারুন রশীদ, কবিতায় শাহিদ হাসান এবং কথাসাহিত্যে জাহেদ মোতালেবকে সম্মাননা দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত থাকবেন সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ ও আবু সুফিয়ান। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন বিভাগীয় কমিশনার, সিএমপি কমিশনার, ডিআইজি এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

চসিক প্রতি বছর স্বাধীনতা বইমেলার মাধ্যমে দেশের ইতিহাস, সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরার চেষ্টা করে। এবার জাতীয় নির্বাচন ও রমজান মাসের কারণে মেলা ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে মার্চের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এই আয়োজনকে চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মান জানানো হয়।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কিত তথ্য
আপডেটের সময় : ০১:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬
২৫ সময় দৃশ্য

চসিক স্বাধীনতা পদক ২০২৬ ও সাহিত্য সম্মাননা: ১৩ জন মনোনীত

আপডেটের সময় : ০১:১৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

মোঃ দিদারুল ইসলাম, চট্টগ্রামঃ

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন (চসিক) “চসিক স্বাধীনতা পদক ২০২৬” এবং “চসিক সাহিত্য সম্মাননা ২০২৬” ঘোষণা করেছে। এবারের তালিকায় মোট ৮ জন ব্যক্তি ও ৩টি প্রতিষ্ঠান স্বাধীনতা স্মারক পদকের জন্য মনোনীত হয়েছেন। পাশাপাশি সাহিত্য ক্ষেত্রে অবদানের জন্য ৫ জন বিশিষ্ট লেখক ও গবেষককে সাহিত্য সম্মাননার জন্য নির্বাচন করা হয়েছে।

শনিবার চট্টগ্রাম জেলা স্টেডিয়ামের জিমনেসিয়াম চত্বরে স্বাধীনতা বইমেলার সমাপনী অনুষ্ঠানে এই সম্মাননা প্রদান করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন চসিক মেয়র শাহাদাত হোসেন।

চসিক সূত্রে জানা যায়, স্বাধীনতা স্মারক পদকের জন্য মনোনীতদের মধ্যে রয়েছেন স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রয়াত নেতা আবদুল্লাহ আলম নোমান (মরণোত্তর), মুক্তিযোদ্ধা মো. একরামুল করিম, শিক্ষাক্ষেত্রে নূর আহমদ চেয়ারম্যান (মরণোত্তর), চিকিৎসা খাতে এম এ ফয়েজ এবং সাংবাদিকতায় ডা. ম. রমিজ উদ্দিন চৌধুরী।

এছাড়া ক্রীড়া ক্ষেত্রে সাবেক জাতীয় ক্রিকেট অধিনায়ক আকরাম খান, সমাজসেবায় বাংলাদেশ রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি, স্বাস্থ্যসেবায় মা ও শিশু হাসপাতাল, সাংস্কৃতিক সংগঠন হিসেবে জাসাস, সঙ্গীতে আবদুল মান্নান রানা এবং আঞ্চলিক ভাষায় অবদানের জন্য বুলবুল আকতারকে মনোনীত করা হয়েছে।

অন্যদিকে “চসিক সাহিত্য সম্মাননা ২০২৬” এর আওতায় গীতিকবিতায় ড. আব্দুল্লাহ আল মামুন, শিশু সাহিত্যে সৈয়দ খালেদুল আনোয়ার, প্রবন্ধ ও গবেষণায় হারুন রশীদ, কবিতায় শাহিদ হাসান এবং কথাসাহিত্যে জাহেদ মোতালেবকে সম্মাননা দেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত থাকবেন সংসদ সদস্য এরশাদ উল্লাহ ও আবু সুফিয়ান। বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন বিভাগীয় কমিশনার, সিএমপি কমিশনার, ডিআইজি এবং চট্টগ্রামের বিভিন্ন বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

চসিক প্রতি বছর স্বাধীনতা বইমেলার মাধ্যমে দেশের ইতিহাস, সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরার চেষ্টা করে। এবার জাতীয় নির্বাচন ও রমজান মাসের কারণে মেলা ফেব্রুয়ারির পরিবর্তে মার্চের শেষ দিকে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এই আয়োজনকে চট্টগ্রামের সাংস্কৃতিক অঙ্গনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠান হিসেবে দেখা হচ্ছে, যেখানে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা ব্যক্তিদের সম্মান জানানো হয়।