বাংলাদেশ , রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ফতেপুরে সচেতনতামূলক লিগ্যাল এইড সভা চট্টগ্রামের ৬৮ কারিগরি প্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদন বাতিলের পথে এমপি জাহাঙ্গীর হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ ও সতর্কবার্তা জাহাঙ্গীর আলমের ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে সহযোগী সদস্য হিসেবে যাত্রা ময়মনসিংহে গণভোট বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলের মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত আখাউড়ায় জামাতের মাদকবিরোধী র‌্যালি, কঠোর ব্যবস্থার আহ্বান আজ নওগাঁয় ট্রাফিক সেবায় স্কাউটদের প্রশংসা করলেন পুলিশ সুপার শিবপুরে দুর্যোগ সহায়তা: ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে অনুদান চেক ও ঢেউটিন বিতরণ বোদায় মাদক সেবী গ্রেপ্তার: বামন হাটে অভিযানে তিনজনের কারাদণ্ড থেকে বাংলাবাজার পানি সমবায় নির্বাচনে সব পদেই একক প্রার্থীর জয়
সর্বাধিক পঠিত
বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ফতেপুরে সচেতনতামূলক লিগ্যাল এইড সভা চট্টগ্রামের ৬৮ কারিগরি প্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদন বাতিলের পথে এমপি জাহাঙ্গীর হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ ও সতর্কবার্তা জাহাঙ্গীর আলমের ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে সহযোগী সদস্য হিসেবে যাত্রা ময়মনসিংহে গণভোট বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলের মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত আখাউড়ায় জামাতের মাদকবিরোধী র‌্যালি, কঠোর ব্যবস্থার আহ্বান আজ নওগাঁয় ট্রাফিক সেবায় স্কাউটদের প্রশংসা করলেন পুলিশ সুপার শিবপুরে দুর্যোগ সহায়তা: ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে অনুদান চেক ও ঢেউটিন বিতরণ বোদায় মাদক সেবী গ্রেপ্তার: বামন হাটে অভিযানে তিনজনের কারাদণ্ড থেকে বাংলাবাজার পানি সমবায় নির্বাচনে সব পদেই একক প্রার্থীর জয়

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলন: উত্তর সাথালিয়ায় ক্ষোভ

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার উত্তর সাথালিয়া (মুন্সীরহাট) এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ বালু উত্তোলন চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, জুয়েল মিয়াসহ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি নদী ও আশপাশের এলাকা থেকে নিয়মিতভাবে বালু তুলে বিক্রি করছেন। এতে পরিবেশের বড় ধরনের ক্ষতি হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, জহরলাল মিয়ার ছেলে জুয়েল মিয়া দীর্ঘদিন ধরে এই কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। প্রতিদিন ট্রাক ও ট্রলির মাধ্যমে বালু বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করা হয়। ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে নদী ভাঙনের ঝুঁকিও বেড়ে যাচ্ছে।

এলাকাবাসী বলছেন, সাঘাটা উত্তর সাথালিয়া এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক জমিতে ফসল উৎপাদন কমে গেছে। এছাড়া বসতবাড়িও হুমকির মুখে পড়েছে। নদীর পাড় ধসে পড়ার আশঙ্কায় অনেক পরিবার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, এই অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে সাহস পাচ্ছেন না। কারণ, জড়িতদের প্রভাব বেশি। তারা আরও বলেন, প্রশাসনের নজরের সামনে এমন কাজ চললেও এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

স্থানীয়দের মতে, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। তারা সাঘাটা উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অবিলম্বে এই অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

পরিবেশ রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ এখন সময়ের দাবি। এলাকাবাসী আশা করছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কিত তথ্য
আপডেটের সময় : ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬
৬৮ সময় দৃশ্য

সাঘাটায় অবৈধ বালু উত্তোলন: উত্তর সাথালিয়ায় ক্ষোভ

আপডেটের সময় : ০৮:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ মার্চ ২০২৬

গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার উত্তর সাথালিয়া (মুন্সীরহাট) এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ বালু উত্তোলন চলছে বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, জুয়েল মিয়াসহ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি নদী ও আশপাশের এলাকা থেকে নিয়মিতভাবে বালু তুলে বিক্রি করছেন। এতে পরিবেশের বড় ধরনের ক্ষতি হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়ছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, জহরলাল মিয়ার ছেলে জুয়েল মিয়া দীর্ঘদিন ধরে এই কার্যক্রম চালিয়ে আসছেন। প্রতিদিন ট্রাক ও ট্রলির মাধ্যমে বালু বিভিন্ন জায়গায় সরবরাহ করা হয়। ফলে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। একই সঙ্গে নদী ভাঙনের ঝুঁকিও বেড়ে যাচ্ছে।

এলাকাবাসী বলছেন, সাঘাটা উত্তর সাথালিয়া এলাকায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে কৃষিজমি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। অনেক জমিতে ফসল উৎপাদন কমে গেছে। এছাড়া বসতবাড়িও হুমকির মুখে পড়েছে। নদীর পাড় ধসে পড়ার আশঙ্কায় অনেক পরিবার আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক স্থানীয় ব্যক্তি জানান, এই অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে কেউ কথা বলতে সাহস পাচ্ছেন না। কারণ, জড়িতদের প্রভাব বেশি। তারা আরও বলেন, প্রশাসনের নজরের সামনে এমন কাজ চললেও এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

স্থানীয়দের মতে, দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। তারা সাঘাটা উপজেলা প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অবিলম্বে এই অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ারও আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

পরিবেশ রক্ষা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার স্বার্থে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ এখন সময়ের দাবি। এলাকাবাসী আশা করছেন, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখে দ্রুত ব্যবস্থা নেবেন।