বাংলাদেশ , সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
শিবপুরে প্রধান শিক্ষক মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত নবীনগরে ৩০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারী গ্রেফতার পোরশায় জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হারিয়ে যাবো কবিতা: মৃত্যু, স্মৃতি ও ক্ষমার বার্তায় অনন্য সৃষ্টি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ফতেপুরে সচেতনতামূলক লিগ্যাল এইড সভা চট্টগ্রামের ৬৮ কারিগরি প্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদন বাতিলের পথে এমপি জাহাঙ্গীর হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ ও সতর্কবার্তা জাহাঙ্গীর আলমের ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে সহযোগী সদস্য হিসেবে যাত্রা ময়মনসিংহে গণভোট বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলের মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত আখাউড়ায় জামাতের মাদকবিরোধী র‌্যালি, কঠোর ব্যবস্থার আহ্বান আজ
সর্বাধিক পঠিত
শিবপুরে প্রধান শিক্ষক মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত নবীনগরে ৩০ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারী গ্রেফতার পোরশায় জাতীয় ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হারিয়ে যাবো কবিতা: মৃত্যু, স্মৃতি ও ক্ষমার বার্তায় অনন্য সৃষ্টি বাল্যবিবাহ প্রতিরোধে ফতেপুরে সচেতনতামূলক লিগ্যাল এইড সভা চট্টগ্রামের ৬৮ কারিগরি প্রতিষ্ঠানের পাঠদান অনুমোদন বাতিলের পথে এমপি জাহাঙ্গীর হোসেনের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, তীব্র প্রতিবাদ ও সতর্কবার্তা জাহাঙ্গীর আলমের ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে সহযোগী সদস্য হিসেবে যাত্রা ময়মনসিংহে গণভোট বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলের মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত আখাউড়ায় জামাতের মাদকবিরোধী র‌্যালি, কঠোর ব্যবস্থার আহ্বান আজ

টাঙ্গাইলে কন্যা সন্তান দত্তক প্রদান: এফিডেভিট সম্পন্ন, নতুন জীবনের সূচনা

টাঙ্গাইলে কন্যা সন্তান দত্তক প্রদান সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ এফিডেভিট সম্পন্ন হয়েছে, যা স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। এই দত্তক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একটি শিশুর ভবিষ্যৎ নিরাপদ ও সুন্দর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এফিডেভিট সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার গড়গোবিন্দপুর এলাকার বাসিন্দা মোঃ সুমন মিয়া ও তার স্ত্রী মোসাঃ জেসমিন আক্তার তাদের নাবালিকা কন্যা সন্তান হিরামনি (জন্ম: ২৭ এপ্রিল ২০২৫) কে দত্তক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পারিবারিক ও মানবিক কারণ বিবেচনায় তারা এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। কন্যা সন্তান দত্তক প্রদান বিষয়টি তারা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় এবং সুস্থ মস্তিষ্কে সম্পন্ন করেছেন বলে এফিডেভিটে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, কালিহাতী উপজেলার কোনাবাড়ী এলাকার বাসিন্দা মোঃ জলিল মিঞা ও তার স্ত্রী সেলিনা আক্তার মৌ দীর্ঘদিন ধরে নিঃসন্তান ছিলেন। তারা শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করলে উভয় পরিবারের মধ্যে আলোচনা হয়। পরে পারস্পরিক সম্মতিতে শিশুটিকে দত্তক প্রদান কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।

টাঙ্গাইল এফিডেভিট অনুযায়ী, দত্তক গ্রহণের পর শিশুটি পালক পিতা-মাতার পরিচয়ে বড় হবে। তার শিক্ষা সনদসহ সকল সরকারি কাগজপত্রে পালক পিতা-মাতার নাম ব্যবহার করা হবে। একই সঙ্গে জৈবিক পিতা-মাতা ভবিষ্যতে সন্তানের ওপর কোনো দাবি করবেন না বলেও অঙ্গীকার করেছেন।

এছাড়া, শিশুটির লালন-পালন, ভরণ-পোষণ, চিকিৎসা এবং আধুনিক ও ধর্মীয় শিক্ষার সম্পূর্ণ দায়িত্ব দত্তক গ্রহণকারী দম্পতির ওপর ন্যস্ত থাকবে। শিশুটিকে সুশিক্ষিত ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কন্যা সন্তান দত্তক প্রদান প্রক্রিয়াটি একটি মানবিক উদ্যোগ, যা একদিকে শিশুর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করছে, অন্যদিকে নিঃসন্তান দম্পতির জীবনে নতুন আশার আলো নিয়ে এসেছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কিত তথ্য
আপডেটের সময় : ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
৩৭ সময় দৃশ্য

টাঙ্গাইলে কন্যা সন্তান দত্তক প্রদান: এফিডেভিট সম্পন্ন, নতুন জীবনের সূচনা

আপডেটের সময় : ০৭:৫২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

টাঙ্গাইলে কন্যা সন্তান দত্তক প্রদান সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ এফিডেভিট সম্পন্ন হয়েছে, যা স্থানীয়ভাবে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে। এই দত্তক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে একটি শিশুর ভবিষ্যৎ নিরাপদ ও সুন্দর করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

এফিডেভিট সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইলের সখিপুর উপজেলার গড়গোবিন্দপুর এলাকার বাসিন্দা মোঃ সুমন মিয়া ও তার স্ত্রী মোসাঃ জেসমিন আক্তার তাদের নাবালিকা কন্যা সন্তান হিরামনি (জন্ম: ২৭ এপ্রিল ২০২৫) কে দত্তক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পারিবারিক ও মানবিক কারণ বিবেচনায় তারা এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন। কন্যা সন্তান দত্তক প্রদান বিষয়টি তারা সম্পূর্ণ স্বেচ্ছায় এবং সুস্থ মস্তিষ্কে সম্পন্ন করেছেন বলে এফিডেভিটে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, কালিহাতী উপজেলার কোনাবাড়ী এলাকার বাসিন্দা মোঃ জলিল মিঞা ও তার স্ত্রী সেলিনা আক্তার মৌ দীর্ঘদিন ধরে নিঃসন্তান ছিলেন। তারা শিশুটিকে দত্তক নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করলে উভয় পরিবারের মধ্যে আলোচনা হয়। পরে পারস্পরিক সম্মতিতে শিশুটিকে দত্তক প্রদান কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়।

টাঙ্গাইল এফিডেভিট অনুযায়ী, দত্তক গ্রহণের পর শিশুটি পালক পিতা-মাতার পরিচয়ে বড় হবে। তার শিক্ষা সনদসহ সকল সরকারি কাগজপত্রে পালক পিতা-মাতার নাম ব্যবহার করা হবে। একই সঙ্গে জৈবিক পিতা-মাতা ভবিষ্যতে সন্তানের ওপর কোনো দাবি করবেন না বলেও অঙ্গীকার করেছেন।

এছাড়া, শিশুটির লালন-পালন, ভরণ-পোষণ, চিকিৎসা এবং আধুনিক ও ধর্মীয় শিক্ষার সম্পূর্ণ দায়িত্ব দত্তক গ্রহণকারী দম্পতির ওপর ন্যস্ত থাকবে। শিশুটিকে সুশিক্ষিত ও আদর্শ মানুষ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কন্যা সন্তান দত্তক প্রদান প্রক্রিয়াটি একটি মানবিক উদ্যোগ, যা একদিকে শিশুর ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করছে, অন্যদিকে নিঃসন্তান দম্পতির জীবনে নতুন আশার আলো নিয়ে এসেছে।