বাংলাদেশ , শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
সর্বাধিক পঠিত

ঠাকুরগাঁওয়ে ৭.২৮ লাখ জাল নোটসহ ৭ আটক

ঠাকুরগাঁও শহরে বড় ধরনের একটি জাল নোট চক্রের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এক বিশেষ ঠাকুরগাঁও অভিযানে শহরের দুটি আবাসিক হোটেল থেকে বিপুল পরিমাণ জাল নোটসহ ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা জাল নোটের পরিমাণ ৭ লাখ ২৮ হাজার টাকা বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের চৌরাস্তা এলাকায় অবস্থিত হোটেল প্রাইম ও হোটেল সালামে কয়েক ঘণ্টাব্যাপী অভিযান চালানো হয়। সদর থানা পুলিশের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে জাল নোট তৈরি ও বাজারজাতকরণের সঙ্গে জড়িত একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্যদের আটক করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রথমে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারি এলাকা থেকে একজন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ঠাকুরগাঁও শহরের দুটি হোটেলে একযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালে চক্রের অন্যান্য সদস্যদেরও আটক করা সম্ভব হয়।

আটকদের কাছ থেকে ৭ লাখ ২৮ হাজার টাকার জাল নোট ছাড়াও জাল নোট তৈরির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জাল নোট সরবরাহ করে আসছিল।

আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন বরিশালের আরিফ হোসেন (৪০), মাদারীপুরের এমরান হোসেন (৪৮), কিশোরগঞ্জের চন্দন মিয়া (৩২), ঢাকার শেখ মোহাম্মদ নাসিম (২৮), ফরিদপুরের সোহেল খান (২৮), কেরানীগঞ্জের রুহুল আমিন (৫২) এবং কুমিল্লার ইসমাইল হোসেন (৩২)।

সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মতিউর রহমান জানান, এটি একটি সংঘবদ্ধ জাল নোট চক্র। প্রাথমিকভাবে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানানো হবে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, দেশের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে এই চক্রটি সক্রিয় ছিল। তবে সময়মতো অভিযান চালিয়ে তাদের পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

এই জাল নোট চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পুরো ঠাকুরগাঁও অভিযান এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কিত তথ্য
আপডেটের সময় : ২ ঘন্টা আগে
১১ সময় দৃশ্য

ঠাকুরগাঁওয়ে ৭.২৮ লাখ জাল নোটসহ ৭ আটক

আপডেটের সময় : ২ ঘন্টা আগে

ঠাকুরগাঁও শহরে বড় ধরনের একটি জাল নোট চক্রের সন্ধান পেয়েছে পুলিশ। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পরিচালিত এক বিশেষ ঠাকুরগাঁও অভিযানে শহরের দুটি আবাসিক হোটেল থেকে বিপুল পরিমাণ জাল নোটসহ ৭ জনকে আটক করা হয়েছে। উদ্ধার করা জাল নোটের পরিমাণ ৭ লাখ ২৮ হাজার টাকা বলে নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

শুক্রবার (১৯ জুন) সকালে ঠাকুরগাঁও পৌর শহরের চৌরাস্তা এলাকায় অবস্থিত হোটেল প্রাইম ও হোটেল সালামে কয়েক ঘণ্টাব্যাপী অভিযান চালানো হয়। সদর থানা পুলিশের নেতৃত্বে পরিচালিত এই অভিযানে জাল নোট তৈরি ও বাজারজাতকরণের সঙ্গে জড়িত একটি সংঘবদ্ধ চক্রের সদস্যদের আটক করা হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, প্রথমে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পঞ্চগড় জেলার আটোয়ারি এলাকা থেকে একজন সন্দেহভাজনকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ঠাকুরগাঁও শহরের দুটি হোটেলে একযোগে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযান চলাকালে চক্রের অন্যান্য সদস্যদেরও আটক করা সম্ভব হয়।

আটকদের কাছ থেকে ৭ লাখ ২৮ হাজার টাকার জাল নোট ছাড়াও জাল নোট তৈরির কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে দেশের বিভিন্ন এলাকায় জাল নোট সরবরাহ করে আসছিল।

আটককৃত ব্যক্তিরা হলেন বরিশালের আরিফ হোসেন (৪০), মাদারীপুরের এমরান হোসেন (৪৮), কিশোরগঞ্জের চন্দন মিয়া (৩২), ঢাকার শেখ মোহাম্মদ নাসিম (২৮), ফরিদপুরের সোহেল খান (২৮), কেরানীগঞ্জের রুহুল আমিন (৫২) এবং কুমিল্লার ইসমাইল হোসেন (৩২)।

সদর থানা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ মতিউর রহমান জানান, এটি একটি সংঘবদ্ধ জাল নোট চক্র। প্রাথমিকভাবে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে এবং এই চক্রের সঙ্গে আরও কেউ জড়িত আছে কি না তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত তথ্য সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে জানানো হবে।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, দেশের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বিঘ্নিত করার উদ্দেশ্যে এই চক্রটি সক্রিয় ছিল। তবে সময়মতো অভিযান চালিয়ে তাদের পরিকল্পনা ভেস্তে দেওয়া সম্ভব হয়েছে। বর্তমানে আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

এই জাল নোট চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সদস্যদের শনাক্ত করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পুরো ঠাকুরগাঁও অভিযান এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে।