বাংলাদেশ , রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ খবর :
জাহাঙ্গীর আলমের ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে সহযোগী সদস্য হিসেবে যাত্রা ময়মনসিংহে গণভোট বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলের মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত আখাউড়ায় জামাতের মাদকবিরোধী র‌্যালি, কঠোর ব্যবস্থার আহ্বান আজ নওগাঁয় ট্রাফিক সেবায় স্কাউটদের প্রশংসা করলেন পুলিশ সুপার শিবপুরে দুর্যোগ সহায়তা: ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে অনুদান চেক ও ঢেউটিন বিতরণ বোদায় মাদক সেবী গ্রেপ্তার: বামন হাটে অভিযানে তিনজনের কারাদণ্ড থেকে বাংলাবাজার পানি সমবায় নির্বাচনে সব পদেই একক প্রার্থীর জয় ফরিদপুরে উন্নয়ন নিয়ে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হলো কালিহাতীতে যমুনা নদীতে গোসল: নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার ফুলবাড়ী বিজিবির অভিযানে ৩ হাজার ভারতীয় ট্যাবলেট জব্দ
সর্বাধিক পঠিত
জাহাঙ্গীর আলমের ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবে সহযোগী সদস্য হিসেবে যাত্রা ময়মনসিংহে গণভোট বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলের মহাসমাবেশ অনুষ্ঠিত আখাউড়ায় জামাতের মাদকবিরোধী র‌্যালি, কঠোর ব্যবস্থার আহ্বান আজ নওগাঁয় ট্রাফিক সেবায় স্কাউটদের প্রশংসা করলেন পুলিশ সুপার শিবপুরে দুর্যোগ সহায়তা: ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে অনুদান চেক ও ঢেউটিন বিতরণ বোদায় মাদক সেবী গ্রেপ্তার: বামন হাটে অভিযানে তিনজনের কারাদণ্ড থেকে বাংলাবাজার পানি সমবায় নির্বাচনে সব পদেই একক প্রার্থীর জয় ফরিদপুরে উন্নয়ন নিয়ে বিএনপির মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হলো কালিহাতীতে যমুনা নদীতে গোসল: নিখোঁজ শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার ফুলবাড়ী বিজিবির অভিযানে ৩ হাজার ভারতীয় ট্যাবলেট জব্দ

বাঁচার আকুতি আনোয়ারের, এগিয়ে আসুন মানবিক সহায়তায়

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বগুলা গ্রামের বাসিন্দা ক্যান্সার আক্রান্ত আনোয়ার হোসেন (৪৫) জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান, মানবিক ব্যক্তি ও প্রবাসীদের সহযোগিতা কামনা করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে দুরারোগ্য ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে চলা এই ব্যক্তি বর্তমানে আর্থিক সংকটে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হিমশিম খাচ্ছেন।

আনোয়ার হোসেন উপজেলার বগুলাবাজার ইউনিয়নের বগুলা গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে। তিনি পেশায় একটি পরিবহন প্রতিষ্ঠানের সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিন সন্তানের জনক আনোয়ার হোসেন নিজের উপার্জনে পরিবার চালিয়ে আসছিলেন। তবে প্রায় ছয় মাস আগে তার পেটে ক্যান্সার ধরা পড়ে। এরপর থেকে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে গিয়ে তার সঞ্চিত অর্থ প্রায় শেষ হয়ে গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, রোগ নির্ণয়ের পর নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী চিকিৎসা চালিয়ে গেলেও বর্তমানে ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ বহন করা তার পরিবারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করতে গিয়ে তিনি প্রায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। বসতভিটা ছাড়া উল্লেখযোগ্য কোনো সম্পদও তার নেই।

ক্যান্সার আক্রান্ত আনোয়ার হোসেন বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে এই রোগের সঙ্গে লড়াই করছি। আগে কাজ করে পরিবারের পাঁচ সদস্যের ভরণপোষণ করতাম। কিন্তু অসুস্থ হওয়ার পর থেকে আর নিয়মিত কাজ করতে পারছি না। চিকিৎসার ব্যয় বহন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমি বাঁচতে চাই, সন্তানদের জন্য আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাই।”

স্থানীয়রা জানান, আনোয়ার হোসেন একজন পরিশ্রমী ও সৎ মানুষ। তার বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত করুণ। দ্রুত উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে তিনি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন বলে আশা করছেন স্বজনরা।

এ অবস্থায় চিকিৎসা সহায়তা পেলে তার চিকিৎসা অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে। তাই সমাজের হৃদয়বান ব্যক্তি, দানশীল প্রতিষ্ঠান এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

কেউ সাহায্য করতে চাইলে আনোয়ার হোসেনের ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বর ০১৭৫১-১৪৮৮৩৩-এ যোগাযোগ করতে পারবেন। সামান্য সহযোগিতাও তার জীবন বাঁচানোর সংগ্রামে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।

অনুগ্রহ করে এই পোস্টটি আপনার সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন।

আপনার মন্তব্য লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষণ করুন

লেখক সম্পর্কিত তথ্য
আপডেটের সময় : ০৬:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬
২২ সময় দৃশ্য

বাঁচার আকুতি আনোয়ারের, এগিয়ে আসুন মানবিক সহায়তায়

আপডেটের সময় : ০৬:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বগুলা গ্রামের বাসিন্দা ক্যান্সার আক্রান্ত আনোয়ার হোসেন (৪৫) জীবন বাঁচাতে সমাজের বিত্তবান, মানবিক ব্যক্তি ও প্রবাসীদের সহযোগিতা কামনা করেছেন। দীর্ঘদিন ধরে দুরারোগ্য ক্যান্সারের সঙ্গে লড়াই করে চলা এই ব্যক্তি বর্তমানে আর্থিক সংকটে চিকিৎসা চালিয়ে যেতে হিমশিম খাচ্ছেন।

আনোয়ার হোসেন উপজেলার বগুলাবাজার ইউনিয়নের বগুলা গ্রামের গোলাম মোস্তফার ছেলে। তিনি পেশায় একটি পরিবহন প্রতিষ্ঠানের সুপারভাইজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তিন সন্তানের জনক আনোয়ার হোসেন নিজের উপার্জনে পরিবার চালিয়ে আসছিলেন। তবে প্রায় ছয় মাস আগে তার পেটে ক্যান্সার ধরা পড়ে। এরপর থেকে নিয়মিত চিকিৎসা নিতে গিয়ে তার সঞ্চিত অর্থ প্রায় শেষ হয়ে গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, রোগ নির্ণয়ের পর নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী চিকিৎসা চালিয়ে গেলেও বর্তমানে ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ বহন করা তার পরিবারের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহ করতে গিয়ে তিনি প্রায় নিঃস্ব হয়ে পড়েছেন। বসতভিটা ছাড়া উল্লেখযোগ্য কোনো সম্পদও তার নেই।

ক্যান্সার আক্রান্ত আনোয়ার হোসেন বলেন, “আমি দীর্ঘদিন ধরে এই রোগের সঙ্গে লড়াই করছি। আগে কাজ করে পরিবারের পাঁচ সদস্যের ভরণপোষণ করতাম। কিন্তু অসুস্থ হওয়ার পর থেকে আর নিয়মিত কাজ করতে পারছি না। চিকিৎসার ব্যয় বহন করা আমার পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। আমি বাঁচতে চাই, সন্তানদের জন্য আবার স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে চাই।”

স্থানীয়রা জানান, আনোয়ার হোসেন একজন পরিশ্রমী ও সৎ মানুষ। তার বর্তমান পরিস্থিতি অত্যন্ত করুণ। দ্রুত উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করা গেলে তিনি সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন বলে আশা করছেন স্বজনরা।

এ অবস্থায় চিকিৎসা সহায়তা পেলে তার চিকিৎসা অব্যাহত রাখা সম্ভব হবে। তাই সমাজের হৃদয়বান ব্যক্তি, দানশীল প্রতিষ্ঠান এবং প্রবাসী বাংলাদেশিদের প্রতি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

কেউ সাহায্য করতে চাইলে আনোয়ার হোসেনের ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বর ০১৭৫১-১৪৮৮৩৩-এ যোগাযোগ করতে পারবেন। সামান্য সহযোগিতাও তার জীবন বাঁচানোর সংগ্রামে বড় ভূমিকা রাখতে পারে।